ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে কামিলা রাখিমোভার বিপক্ষে ৬-৩, ৬-৪ গেমে জিতেছেন আরিয়ানা সাবালেঙ্কা। তবে ম্যাচে প্রতিপক্ষের চেয়ে ভিন্ন এক সমস্যাই বেশি ভোগায় নারী এককের শীর্ষ বাছাইকে। লুই আর্মস্ট্রং স্টেডিয়ামে গাঁজার তীব্র গন্ধে কয়েকবার তার মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে। একপর্যায়ে চেয়ার আম্পায়ারের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগও করেন বেলারুশের এই তারকা।
ম্যাচের তৃতীয় গেমে সার্ভ করার সময় বল ওপরে ছুড়ে দিয়েও শট না খেলে সেটি মাটিতে পড়তে দেন সাবালেঙ্কা। পরের পয়েন্টেও একই ঘটনা ঘটে। গন্ধের কারণে মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা হচ্ছিল বলেই এমনটা করেন তিনি। এরপর চেয়ার আম্পায়ারের কাছে গিয়ে সহায়তা চান।
ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা জানান, টেনিস কোর্টে এর আগে কখনো এতটা তীব্র গন্ধের মুখোমুখি হননি তিনি। গন্ধটি দর্শকদের কাছ থেকে আসছিল, নাকি স্টেডিয়ামের বাইরে থেকে বাতাসের সঙ্গে ভেতরে ঢুকছিল, সেটিও নিশ্চিত নন এই টেনিস তারকা।
সাবালেঙ্কা বলেন, সবাই নিজের মতো করে ধূমপান করতে পারেন, কিন্তু টেনিস কোর্টের আশপাশে এমনটা না করলেই ভালো। নিজের সেরা খেলাটা দেওয়ার চেষ্টা করার সময় এই ধরনের গন্ধ সামলানো বেশ কঠিন বলেও জানান তিনি।
তবে ম্যাচ শেষে বিষয়টি নিয়ে রসিকতাও করেছেন সাবালেঙ্কা। দর্শকেরা তার ম্যাচ উপভোগ করতে গাঁজা সেবন করছেন কি না, এমন প্রশ্নে মজা করে তিনি বলেন, হয়তো তার খেলা এত দ্রুতগতির যে দর্শকেরা সেটিকে একটু ধীর করতে চাইছেন।
এর আগে নিক কিরিওস ও মারিয়া সাকারির মতো খেলোয়াড়রাও ইউএস ওপেনের ম্যাচ চলাকালে গাঁজার গন্ধ নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। ইউএস ওপেনের ভেন্যুর পেছনে একটি পার্ক থাকায় সেখান থেকেই সাধারণত এমন গন্ধ আসতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
তবে ওই দিন ইউএস ওপেনের টেনিস কমপ্লেক্সে কোনো দর্শককে ধূমপান করতে দেখা যায়নি। কাউকে সেখান থেকে বেরও করে দেওয়া হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে ইউএস টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র ব্রেন্ডন ম্যাকইনটায়ার জানিয়েছেন, বিলি জিন কিং ন্যাশনাল টেনিস সেন্টারের বাইরে কী হচ্ছে, তা নিয়ন্ত্রণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে টেনিস সেন্টারকে ধূমপানমুক্ত রাখতে নিরাপত্তা ও অতিথিসেবা দল সতর্ক থাকে। কেউ ধূমপান করছে বলে অভিযোগ পেলে তারা ব্যবস্থা নেয়।
নিউইয়র্কে গাঁজা সেবন বৈধ হলেও পার্ক ও টেনিস সেন্টারের নির্দিষ্ট এলাকায় ধূমপান নিষিদ্ধ বলে জানান তিনি।
সময়ের আলো/টিকে