প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচেও জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে কোভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে এনজো মারেসকার দল। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন আর্লিং হালান্ড।
শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল সিটির হাতে। বল দখলে একতরফা আধিপত্য দেখিয়েছে স্বাগতিকেরা। প্রথমার্ধের ১৫ মিনিটেই সিটির বল দখল ছিল ৮৫ শতাংশ। ম্যাচের শেষ দিকে সেটি ৭৮ শতাংশে থাকলেও পুরো ম্যাচজুড়েই কোভেন্ট্রিকে চাপে রেখেছিল তারা।
তবে শুরুতে গোলের দেখা পেতে পারেনি সিটি। বরং ৮ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিল কোভেন্ট্রি। তাইও আওনিইয়ের দূরপাল্লার শট অবশ্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১৬ মিনিটে হালান্ডের একটি শটও ঠেকিয়ে দেন কোভেন্ট্রির গোলরক্ষক ক্যালাম রাশওর্থ।
এরপর ২৩ মিনিটে গোলের খুব কাছাকাছি চলে যায় সিটি। হালান্ডের সতীর্থ রায়ান চেরকির শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এর ঠিক তিন মিনিট পরেই অবশ্য আর ভুল করেননি হালান্ড।
২৬ মিনিটে আন্তোনিও সেমেনিওর ক্রস থেকে হালান্ড হেডে বল জালে পাঠান। গোলের আগে মূল পাসটি দিয়েছিলেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। কোভেন্ট্রির গোলরক্ষক রাশওর্থের ভুলের সুযোগও কাজে লাগায় সিটি।
গোল পাওয়ার পরও আক্রমণের ধার কমায়নি সিটি। ৪৪ মিনিটে আবারও গোল করতে পারতেন হালান্ড। তার লক্ষ্যভেদী শট রাশওর্থ ঠেকিয়ে দেন। ফলে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় স্বাগতিকেরা। প্রথমার্ধে সিটির বল দখল ছিল ৮৩ শতাংশ।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র দেখা যায়। সিটির পায়ে বল থাকলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা। ৭৯ মিনিটে হালান্ডের তৈরি করে দেওয়া সুযোগ থেকে ফিল ফোডেনের শট গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন কোভেন্ট্রির খেলোয়াড়েরা। ওই আক্রমণের পরও সিটি বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করে।
অন্যদিকে ম্যাচের শেষ দিকে কোভেন্ট্রিও সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল। ৮০ মিনিটে এলিস সিমসের লক্ষ্যভেদী শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। ৮২ মিনিটে বেন থমাসের হেড অবশ্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি। পুরো ম্যাচে ৭৮ শতাংশ বল দখলের পাশাপাশি আক্রমণেও সিটির আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তবে সুযোগের তুলনায় গোলের ব্যবধান বাড়াতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জয় নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল।
সময়ের আলো/টিকে