রংপুরে চাঞ্চল্যকর চার হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধারের বিষয়ে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রতিবেশী ইয়াবা ব্যবসায়ী শান্ত দাস।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ আদালতের বিচারক এস এম রফিকুল ইসলামের আদালতে শান্ত দাসকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির ওসি জিন্নাত আলী।
আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে শান্ত দাস বলেন, চার হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামি মুগ্ধ দাসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একটি ডাবগাছের নিচ থেকে স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে। তিনি উপস্থিত থেকে ওই উদ্ধার কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার সহকারী কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট কাওসার আলী বলেন, শান্ত দাসের উপস্থিতিতে ডাবগাছের নিচ থেকে স্বর্ণালংকারগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারগুলো কোথায় রয়েছে, তা মুগ্ধ দাস পুলিশকে দেখিয়ে দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, শান্ত দাস সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তার জবানবন্দি মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
এর বেশি কিছু আমি বলতে পারব না।
এদিকে চাঞ্চল্যকর এই চার হত্যা মামলায় গণপতি চক্রবর্তীর দুটি ব্যাংক হিসাবে থাকা টাকা নিয়েও পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানা গেছে।
গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত দাস এবং দখিগঞ্জ শ্মশানের পাহারাদার বিদ্যুৎ মহন্তও আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
সময়ের আলো/আতা