প্রকাশ: রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
থমকে আছে উড়ালসড়কের কাজ, ধামরাইয়ে দুর্ভোগে। ছবি : সময়ের আলোঢাকার ধামরাইয়ের কাওয়ালিপাড়া বাজারে যানজট কমাতে নির্মাণ শুরু হয়েছিল উড়ালসড়কের। কাজ শুরুর পর এক পর্যায়ে দ্রুত এগোলেও কয়েক মাস ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। এতে একদিকে সড়ক সংকুচিত হয়ে যানজট বেড়েছে, অন্যদিকে সড়কে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতে সড়ক কাদাপানিতে একাকার হচ্ছে, আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।
টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাওয়ালিপাড়া বাজারে যানজট নিরসন ও যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করতে উড়ালসড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের শেষ দিকে। শুরুতে কাজ দ্রুতগতিতে এগোলেও কয়েক মাস ধরে তা বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা জানান, উড়ালসড়কের নির্মাণকাজের কারণে মূল সড়ক সরু হয়ে গেছে। এর ওপর খানাখন্দ থাকায় যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। ফলে প্রতিদিনই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
সড়কটিতে নিয়মিত চলাচল করেন ধামরাইয়ের বালিয়া ইউনিয়নের মাদারপুর এলাকার বাসিন্দা রাজন আহমেদ। তিনি বলেন, এই জায়গায় অনেক যানজট হয়। এমনও সময় আছে, আমাদের এক থেকে দেড় ঘণ্টা লেগে যায় জট থেকে বের হতে।
পার্শ্ববর্তী নান্দেশ্বরী এলাকার বাসিন্দা সুমন আহমেদ বলেন, আমরা চাই, দ্রুত কাজটি শেষ করা হোক। তাহলে এই যানজটের দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাব।
মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণাধীন উড়ালসড়কটির মূল কাঠামোর কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এর অ্যাপ্রোচ সড়ক ও সার্ভিস সড়ক নির্মাণে দেরি হচ্ছে।
মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী শাহরিয়ার আলম বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দ্রুত ভূমি অধিগ্রহণ শেষ করে জায়গাগুলো বুঝে পাওয়া গেলে অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। এরপর পুরো ফ্লাইওভার বা ওভারপাসটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারীদের প্রত্যাশা, জমি অধিগ্রহণের জটিলতা দ্রুত নিরসন করে উড়ালসড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। এতে কাওয়ালিপাড়া বাজারের দীর্ঘদিনের যানজট ও যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে।
সময়ের আলো/আতা