দক্ষিণ লেবাননের কাফর রেমান শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই মাস বয়সী এক শিশুও রয়েছে। হামলার পর আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে নাবাতিয়েহ জেলার ওই শহরে হামলাটি চালানো হয়। এতে বেশ কয়েকটি আবাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধার অভিযান চালান বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।
কাফর রেমানে হামলার এক দিন আগেই দক্ষিণ লেবাননের কাছের আরব সালিম শহরে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। ওই হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হন জানান দেশটির কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া রোববার রাতে দেইর আল-জাহরানি শহরের একটি আবাসিক এলাকাতেও হামলা চালানো হয়। এর আগে ওই এলাকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী।
সেনাবাহিনী জানান, হিজবুল্লাহর একটি স্থাপনার কাছে থাকা একটি ভবনকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ওই ভবন থেকে বিস্ফোরক বহনে সক্ষম একটি ড্রোন উড্ডয়ন করা হয়েছিল বলে দাবি ইসরায়েলের।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত জুনে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে এসব হামলা চালায় ইসরায়েল।
কাফর রেমান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জেইনা খোদর জানান, দক্ষিণ লেবাননে এখন অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলে ইসরায়েলি হামলার তীব্রতা বেড়েছে।
তিনি বলেন, এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছেন এবং আবাসিক বাড়িঘর ধ্বংস হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
জেইনা খোদর আরও বলেন, হামলার পর কী ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে এবং রাতভর ঘটনাস্থলে কাজ করেছেন বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মীরা।
সময়ের আলো/জেডি