প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম আপডেট: ০৮.০৯.২০২৬ ৫:৩১ পিএম
ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ। ছবি : সময়ের আলো গাজীপুর কালিয়াকৈরের ফুলবাড়িয়ার ইউনিয়ন পরিষদ যেন অফিস নয় বরং এক ভোগান্তির আখড়া। অভিযোগ রয়েছে, এই ইউনিয়ন পরিষদে সেবা মেলে না টাকা ছাড়া। নাগরিক সনদপত্র, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন সেবা নিতে আসা নাগরিকদের গুণতে হয় টাকা। নির্ধারিত সময়ে সেবা না পাওয়ার পাশাপাশি নানা অজুহাতে হয়রানির শিকারও হতে হয়। বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি করা হয়। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের অফিসে সেবা নিতে আসা ভুক্তভোগীরা এমন অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর আওয়ামীলীগ সমথির্ত চেয়ারম্যান আর পরিষদে আসেননি। এতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জনসাধারণের দুর্ভোগ বেড়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে স্থানীয় প্রশাসনসহ প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা বিএডিসি (সেচ) কর্মকর্তা। কিন্তু তাকে দুই দফতরের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকটাই হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে এসে অনেককেই পড়তে হচ্ছে নানা ভোগান্তিতে। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন কাগজপত্র পেতে সময় লাগছে দীর্ঘদিন।
অভিযোগ রয়েছে, পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে বারবার ধরনা দিয়েও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওযা যায় না। কোনো কোনো ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরছি। সময় মতো কাজ হচ্ছে না। এতে আমাদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে। হয়রানি ও ভোগান্তি বন্ধ করে ইউনিয়ন পরিষদের সব ধরনের নাগরিক সেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে নিশ্চিত করা হোক দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, পরিষদের কিছু কর্মকর্তার অনিয়ম করে টাকা নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছি। তাদেরকে শোকজ করা হয়েছে। তবে দুই দফতরে কাজ করতে গেলে কিছুটা সমস্যা হয়।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা এ.এইচ.এম ফখরুল হোসাইন জানান, সেবা প্রত্যাশীদের যেন কোনো ধরনের হয়রানি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি। টাকা নেওয়ার বিষয়টি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সময়ের আলো/এনএন