প্রকাশ: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৪ পিএম আপডেট: ৩১.১০.২০২৬ ১০:৫৭ পিএম
মাথায় হেলমেট পরিহিত জামায়েত নেতাকর্মী । ছবি : সংগৃহীত ৭ দফা দাবি আদায়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ ঘিরে গোপালগঞ্জে ছিল বাড়তি নিরাপত্তা। জেলার সীমানায় প্রবেশের পর নিরাপত্তার অংশ হিসেবে লংমার্চের একটি ট্রাকে থাকা নেতাকর্মীদের হেলমেট পরতে দেখা যায়। তবে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, কোথাও কোনো পথসভা বা সমাবেশ না করে বিপুলসংখ্যক গাড়ির বহর নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে জেলা অতিক্রম করেন তারা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা হয়ে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের গাড়িবহর গোপালগঞ্জে প্রবেশ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লংমার্চে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি গাড়ি অংশ নেয়। এসব গাড়ির মধ্যে ছিল প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও ট্রাক। বহরের সামনের দিকে হেলমেট পরা নেতাকর্মীদের বহনকারী একটি ট্রাক রাখা হয়। পরে পুরো গাড়িবহর গোপালগঞ্জ শহর অতিক্রম করে নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়।
এদিকে লংমার্চের সাত দফা দাবির প্রতি সংহতি জানাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন স্থানীয় জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের হাতে ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়।
লংমার্চকে কেন্দ্র করে জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সতর্ক অবস্থানে ছিল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
এর আগে জামায়াত ও জোটের স্থানীয় নেতারা জানিয়েছিলেন, লংমার্চের গাড়িবহর গোপালগঞ্জের মহাসড়ক ব্যবহার করে অতিক্রম করবে। তবে জেলার কোথাও কোনো সমাবেশ কিংবা পথসভা অনুষ্ঠিত হবে না।
ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই গোপালগঞ্জ অতিক্রম করে গাড়িবহর। পরে বাগেরহাট ও খুলনার উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রাখেন লংমার্চে অংশগ্রহণকারীরা।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানান, ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির বিষয়ে অবগত হওয়ার পর জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।
জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ্জামান জানান, গোপালগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সময়ের আলো/এসকে/কেএইচও