পাবনার সুজানগরে অবস্থিত খয়রান জোলেখা বিনতে লুৎফুন্নেছা মহিলা কওমি মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পরিচালক আরিফুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে। অভিযোগটি প্রকাশ্য আসার পর থেকে পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ, ব্যাপক চাঞ্চল্য ও গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মাদরাসায় অধ্যয়নরত এক ছাত্রীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন পরিচালক আরিফুল ইসলাম সুজন। শুধু এবারই নয়, অভিযুক্ত পরিচালকের বিরুদ্ধে এর আগেও ওই মাদরাসার একাধিক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে। তার ধারাবাহিক এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে মাদরাসার অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
এদিকে, এই ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর তা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মাঠে নেমেছেন স্থানীয় দুই বিএনপি নেতা হোসেন শেখ ও ফজলু শেখ। অভিযোগ উঠেছে, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন এই দুই নেতা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এমন একটি সংবেদনশীল অপরাধকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে সচেতন মহল ও মাদরাসার অভিভাবকবৃন্দ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত পরিচালক আরিফুল ইসলাম সুজন এবং ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টায় জড়িত দুই নেতাসহ সবার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সময়ের আলো/জোই