দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে ‘ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬’। এই আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় আমন্ত্রিত অতিথি দল হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টটি নিয়ে আশাবাদী ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তাঁর মতে, এই আয়োজন শুধু আঞ্চলিক ফুটবলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াবে না, সমর্থকদেরও আন্তর্জাতিক ফুটবলের স্মরণীয় অভিজ্ঞতা দেবে।
আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডারের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উইন্ডোতে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা আসিয়ান কাপ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশসহ তিনটি আমন্ত্রিত অতিথি দল অংশ নেবে এই প্রতিযোগিতায়।
আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ‘ডিভিশন ১’-এ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুর। অতিথি দল হিসেবে একই পর্বে বাংলাদেশের সঙ্গে খেলবে পাকিস্তানও।
টুর্নামেন্টের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইনফান্তিনো বলেন, আন্তর্জাতিক ম্যাচ ক্যালেন্ডারে নির্ধারিত সময়ে জাতীয় দলগুলোর জন্য অর্থবহ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের সুযোগ তৈরি করাই ফিফা আসিয়ান কাপ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
ইনফান্তিনোর মতে, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খেলোয়াড়েরা তীব্র আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে নিজেদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ফুটবলীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।
ফিফা সভাপতি আশা করছেন, নতুন এই আয়োজন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ আরও বাড়াবে। পাশাপাশি প্রতিযোগিতার ম্যাচগুলো সমর্থকদের আন্তর্জাতিক ফুটবলের কিছু অসাধারণ মুহূর্ত উপহার দেবে বলেও মনে করেন তিনি।
সময়ের আলো/টিকে