রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ত্রিমোহনী সেতুর নিচে জিরানি খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় মো. জজ মিয়া (৪৪) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. আবদুল্লাহ (৩৩) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। নিহত জজ মিয়ার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের বন্দরে। তিনি ওই এলাকার মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে এবং রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় থাকতেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল ১০টার দিকে জিরানি খাল থেকে জজ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এরপর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে খিলগাঁও থানা-পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার জজ মিয়া খিলগাঁওয়ের বাসা থেকে বের হন। ওই দিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মেরুল বাড্ডার মিন্টুর গ্যারেজে যান। সেখানে আবদুল্লাহসহ কয়েকজন আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন। পুলিশের দাবি, সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জজ মিয়াকে আঘাত করা হয়। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তার মরদেহ জিরানি খালে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় জজ মিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবদুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, জজ মিয়া তার এক সহযোগীর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয় বলে দাবি করেছেন আবদুল্লাহ। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত, তা যাচাই করা হচ্ছে।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সময়ের আলো/জেডি