মিষ্টি, কোমল পানীয় আর অতিরিক্ত ভাতেই কি লিভারে চর্বি জমছে? এর পেছনে রয়েছে শরীরে অতিরিক্ত শর্করা ও পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের বড় ভূমিকা। আধুনিক জীবনযাত্রায় শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়ায় এ সমস্যা আরও বাড়ছে।
লিভার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। পরিপাক, শক্তি সঞ্চয় ও রক্ত পরিশোধনসহ নানা কাজ করে এটি। তবে অতিরিক্ত শর্করা শরীরে জমতে থাকলে লিভার তা ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তর করে। ফলে লিভারের কোষে চর্বি জমতে পারে, যাকে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার বলা হয়।
শুধু তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার নয়, অতিরিক্ত মিষ্টি, কোমল পানীয়, প্যাকেটজাত জুস, সাদা ময়দা এবং প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ভাত বা রুটিও এ সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। শুরুতে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা না গেলেও দীর্ঘদিন অবহেলা করলে লিভারের গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে।
ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন জরুরি। লাল চাল, ওটস, শাকসবজি ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার বাড়ানো, অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো এবং পরিমিত স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান ও নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমও উপকারী।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া ক্র্যাশ ডায়েট বা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা ঠিক নয়। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা এবং খাবারের পরিমাণ ও মান নিয়ন্ত্রণে রাখার অভ্যাস লিভার সুস্থ রাখতে সহায়তা করতে পারে।
সময়ের আলো/এমকে