মস্কো ও বেইজিংয়ের আনুষ্ঠানিক সমর্থন থাকার পরও ভারতের বিরোধিতার কারণে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর আন্তর্জাতিক জোট ‘ব্রিকস’-এর সদস্যপদ পেতে ব্যর্থ হচ্ছে পাকিস্তান।
২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জোটে যোগ দেওয়ার আবেদন করলেও দিল্লির অনড় অবস্থানের কারণে নতুন সদস্য ও অংশীদারদের তালিকা থেকে ইসলামাবাদ বাদ পড়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ও জাপানি সংবাদমাধ্যম ‘নিক্কেই এশিয়া’।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তীব্র অর্থনৈতিক সংকট কাটানো এবং আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ওপর নির্ভরতা কমাতে ব্রিকস সমর্থিত ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’ (এনডিবি)-এ ৫৮ কোটি ডলারের শেয়ার কিনেছে পাকিস্তান। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৩.৭০ শতাংশে নেমে আসা দেশটি দক্ষিণ বিশ্বের এই প্রভাবশালী জোটে যুক্ত হয়ে বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ খুঁজছিল। ক্রয়ক্ষমতার নিরিখে বর্তমানে সম্প্রসারিত ‘ব্রিকস প্লাস’ জোট বৈশ্বিক জনসংখ্যার প্রায় ৪৯ শতাংশ এবং মোট জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দফতর এবং রাশিয়ায় নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ খালিদ জামালি ব্রিকসে অন্তর্ভুক্তিমূলক বহুপক্ষীয়তা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে মস্কোসহ অধিকাংশ দেশের সমর্থনের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তবে ব্রিকসের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন সদস্য ও অংশীদার দেশ অন্তর্ভুক্তিতে সব বর্তমান সদস্যের ‘সর্বসম্মত অনুমোদন’ থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে ভারতের ধারাবাহিক বিরোধিতাই বর্তমানে পাকিস্তানের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে এক ‘দুর্ভেদ্য বাধা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সময়ের আলো/জেডি