কুড়িগ্রামে পাটের বাজারে কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সারাদেশ

কুড়িগ্রামে এ বছর পাটের উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটেছে। বেসরকারি পাট ক্রয়কেন্দ্রগুলোর উপস্থিতি

2026-09-15T13:11:51+00:00
2026-09-15T13:11:51+00:00
 
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
কুড়িগ্রামে পাটের বাজারে কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১১ পিএম 
পাটের বাজারে কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক। ছবি : সময়ের আলো
কুড়িগ্রামে এ বছর পাটের উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটেছে। বেসরকারি পাট ক্রয়কেন্দ্রগুলোর উপস্থিতি না থাকলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মজুদদাররা পাট কিনে গুদামজাত করছেন। বর্তমানে পাটের চাহিদা ও দাম দুটিই ঊর্ধ্বমুখী। মোকামের চেয়ে স্থানীয় বাজারে পাটের দাম ভালো থাকায় চাষিরা বেশ লাভবান হচ্ছেন।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ১৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতি মণে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম পাচ্ছেন কৃষকরা।

পাট চাষিরা জানান, প্রতিবছরই পাট চাষে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। এ বছর পুকুর ও খালের পানিতে স্বল্পতা থাকায় উঁচু এলাকার কৃষকদের দূরে নিয়ে পাট জাগ দিতে হয়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের অববাহিকায় বসবাসকারী কৃষকদের এই ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি।

নাগেশ্বরী উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের পাটচাষি মতিয়ার রহমান ৮ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন এবং সময়মতো ঘরেও তুলেছেন। ধরলা নদীর পরিষ্কার পানিতে পাট জাগ দেওয়ায় আঁশের রং ও মান দুটোই ভালো হয়েছে, যা বাজারে ভালো দাম পেতে সাহায্য করেছে।


একই উপজেলার ভিতরবন্দ এলাকার চাষি নির্মল চন্দ্র ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। ভালো দাম পাওয়ায় কিছু পাট ইতোমধ্যে বিক্রি করেছেন এবং বাকি অংশ দাম বাড়ার আশায় মজুদ রেখেছেন।

জেলা সদরের ব্রহ্মপুত্র নদঘেঁষা ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর হাটের পাট ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম জানান, নিজস্ব গুদাম না থাকায় তারা ভাড়ায় গুদাম নিয়ে অধিক লাভের আশায় পাট কিনে মজুদ করছেন। বেসরকারি কোম্পানিগুলো পুরোদমে পাট কেনা শুরু করলে দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তখন তারা এগুলো বিক্রি করবেন।

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ বছর যথাসময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষকদের পাট জাগ দিতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল। তা সত্ত্বেও সার্বিকভাবে পাটের ভালো ফলন ও সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় এই অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছেন।

সময়ের আলো/জোই
  বিষয়:   কুড়িগ্রাম  পাটের বাজার  কৃষকদ  মুখে হাসি  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: