ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে দেশীয় অস্ত্রসহ ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কসবা-সৈয়দাবাদ সড়কের পৌর এলাকার তালতলা বটগাছসংলগ্ন সেতুর কাছে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দলের কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ছয়জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে রামদা, চাইনিজ কুড়ালসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
কসবা থানা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তালতলা বটগাছসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসআই নূর নবীর নেতৃত্বে অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আট সদস্যের দলটি পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ছয়জনকে আটক করে।
আটকরা হলেন, কসবা উপজেলার মনকাশাইর গ্রামের আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন (৪২), একই গ্রামের আবদুল হাকিম মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (৫৫), চন্দ্রপুর গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে জুনায়েদ মিয়া (২০), তালতলা গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে রাজু মিয়া (২১), সৈয়দাবাদ গ্রামের মোহাম্মদ ভুঁইয়ার ছেলে রুমান ভুঁইয়া (২৭) এবং জালাল মিয়ার ছেলে কসাই মনির (৩০)।
এসআই নূর নবী জানান, এ সময় তালতলা গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার আরেক ছেলে রানা মিয়া (২৮) ও অনন্তপুর গ্রামের আনিছ মিয়ার ছেলে শেখদল মিয়া (২৭) পালিয়ে যান। এ ছাড়া মামলায় আরও ৬ থেকে ৭ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আটক ছয়জন, পলাতক দুজন ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৯ ও ৪০২ ধারায় মামলা করেছে পুলিশ।
কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। দুজন পালিয়ে গেলেও তাদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সংঘবদ্ধ দলের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
সময়ের আলো/জোই