ঢাকার কেরানীগঞ্জে ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে (৩৫) আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের দক্ষিণ মান্দাইল এলাকায় বসবাস করত। অভিযুক্ত সৎ পিতা তার মায়ের বর্তমান স্বামী।
অভিযোগ রয়েছে, গত ১ মে বিকেলে ভুক্তভোগী বাসায় একা থাকার সুযোগে অভিযুক্ত তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের কাছে জানাজানি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলেও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এরপর তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হলে পুলিশ নিয়মিত মামলা রুজু করে।
ভুক্তভোগীর মা এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সৎ বাবা গত চার মাস ধরে নানা কৌশল অবলম্বন করছিল। কিন্তুশারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে আমাদের সন্দেহ হয় সে অন্তঃসত্ত্বা। ভুক্তভোগীর ভবিষ্যতের কথা ভেবে স্থানীয়ভাবে আমরা বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু সৎ বাবা বিষয়টি এড়িয়ে যায়।
আটকের পর ভুক্তভোগীর সৎ বাবা এলাকাবাসীর চাপের মুখে পড়ে বলেন, আমার একার ইচ্ছায় কিছু হয়নি।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল কুদ্দুস জানান, এ ঘটনায় শিশুনির্যাতন ও ধর্ষণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আসামিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে মামলা রুজু করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সময়ের আলো/আতা