সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর

আদালত প্রতিবেদক

আইন-আদালত

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও অর্থপাচারের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের

2026-09-23T15:43:06+00:00
2026-09-23T16:16:06+00:00
 
  বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৮ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইন-আদালত
সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৩ পিএম  আপডেট: ২৩.০৯.২০২৬ ৪:১৬ পিএম
সাকিব আল হাসান। ছবি : সংগৃহীত
শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও অর্থপাচারের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

২০২৪ সালের ১৭ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে থাকা অ্যাকাউন্টে একাধিক লেনদেন, প্রতারণামূলক সক্রিয় ট্রেডিং, জুয়া ও অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে বাজারে কারসাজি করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপুল অর্থ হারান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ায় মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা অপরাধলব্ধ অর্থ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রধান আসামি আবুল খায়ের (হিরু) তাঁর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহযোগিতায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন। তাঁর নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, আবুল খায়ের (হিরু) শেয়ারবাজারে যেসব কোম্পানির শেয়ারে কারসাজি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, সেসবের মধ্যে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারসের শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন। এতে সাকিব আল হাসান বাজার কারসাজিতে সহযোগিতা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’-এর মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম এগোবে।

সময়ের আলো/এসএকে
  বিষয়:   সাকিব  তদন্ত প্রতিবেদন  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: