জ্বালানি তেলের বাড়তি খরচ সামলাতে দৈনন্দিন যাতায়াত ও ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহারে কাটছাঁট করছেন অনেক মানুষ। প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে পেট্রোল-অকটেন কিনে মাসিক বাজেট ঠিক রাখার চেষ্টা করছেন তারা। এতে একদিকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ের প্রবণতা বাড়ছে, অন্যদিকে পরিবহন ব্যয় নিয়ে বাড়ছে চাপ। বেড়ে গেছে পরিবহন ও যাতয়াত খরচ। বাসের পর এবার বেড়েছে লঞ্চের ভাড়া। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো মূল্যস্ফীতি কমানোর পথে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ও ফিলিং স্টেশনে কথা বলে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর গত দুদিনে বেশিরভাগ পাম্পে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও তেলচালিত অন্যান্য যানবাহনের উপস্থিতি কমেছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের সংখ্যা আগের তুলনায় কম দেখা গেছে। তবে কয়েকটি পাম্পে স্বাভাবিক সময়ের মতোই ভিড় ছিল।
পাম্প সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আগে যারা নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণ পেট্রোল বা অকটেন কিনতেন, তাদের অনেকেই এখন প্রয়োজন অনুযায়ী কম পরিমাণে জ্বালানি নিচ্ছেন। কেউ কেউ ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন বা বিকল্প যাতায়াতের দিকে ঝুঁকছেন। অফিস, ব্যবসা ও পারিবারিক কাজে প্রয়োজন ছাড়া গাড়ি বের না করার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।
রমনা পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি নিতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী হামিদুল হক বলেন, কী আর বলব! আগে দিনে ৫ লিটার অকটেন নিতাম। দাম বাড়ানোর পর গত দুদিন ধরে তার চেয়ে কম পরিমাণ কিনতে হচ্ছে। বাজেট ঠিক রাখতে কম তেল নিয়ে হিসাব করে চলতে হচ্ছে।
মগবাজারের যমুনা মইন মোটর পাম্পের কর্মচারী নূর আলম বলেন, শুধু যানবাহন ও চালকদের ভিড়ই কমেনি, তেলের বিক্রিও অনেক কমে গেছে। যারা আসছেন, তারাও আগের তুলনায় কম পরিমাণে তেল নিচ্ছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকরা হিসাব করে জ্বালানি কিনছেন। প্রাইভেটকার, জিপ ও মাইক্রোবাস চালকরা সংখ্যায় কম এলেও তারা আগের মতোই প্রায় একই পরিমাণ তেল নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
রাইড শেয়ারিং করা মোটরসাইকেল চালক আরিফ হোসেন বলেন, আগে ২০০ টাকার তেল নিতাম। এখন একই টাকার তেল নিলে লিটারের হিসাবে কম পাব। তাই ৩০০ টাকার তেল নিতে হচ্ছে। কিন্তু যাত্রীরা তো বেশি ভাড়া দিতে রাজি নন। ফলে আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেটকার চালক আলমাস আলী বলেন, প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা ও নিয়ম মেনেই তেল নিতে হয়। আমি চাকরি করি, তেলের হিসাব মেলানোর দায়িত্ব আমার নয়।
রমনা পেট্রোল পাম্পের স্বত্বাধিকারী নাজমুল হক বলেন, পাম্পগুলোতে মানুষের ভিড় কমে যাওয়ার পেছনে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, নাকি রাজধানীতে সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ ও সহিংসতার ঘটনা দায়ী— তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। কারণ তেলের দাম বাড়ানোর আগের দিন গত রোববার থেকেই রাস্তায় যানবাহন ও মানুষের উপস্থিতি স্বাভাবিকের তুলনায় কম ছিল। এর পরদিন সোমবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়। গত দুদিন ধরে পাম্পে জ্বালানি নিতে আসা মানুষের ভিড়ও কম। অনেকেই আগের বাজেট ঠিক রেখে পরিমাণে কম তেল নিয়ে হিসাব করে চলছেন।
এক লাফে বাড়ল ২০ টাকা : রোববার জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গত সোমবার থেকে জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। এতে ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ এবং অকটেন ১৪৫ থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা লিটার হয়েছে। জ্বালানি তেলের নতুন দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া : জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় লঞ্চের ভাড়া ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। বুধবার থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে। প্রথম ১০০ কিলোমিটারে প্রতি কিলোমিটারে ২৩ পয়সা এবং এরপর প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর মালিকদের প্রায় ২৫ শতাংশ, পরে ১৫ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর দাবি ছিল।
তবে যাত্রীদের সক্ষমতা বিবেচনায় ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এর আগে জ্বালানির দাম ১৫ শতাংশ বাড়লেও নৌযানের ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ। এবার জ্বালানির দাম ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ বাড়লেও ভাড়া বেড়েছে ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে লঞ্চ মালিকরা দুঃসহ অবস্থায় পড়েছেন।
জ্বালানি ও পে-স্কেলে বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতির চাপ : জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো মূল্যস্ফীতি কমানোর পথে নতুন চাপ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি কমিটির ১৪তম সভায় সামষ্টিক অর্থনীতি পর্যালোচনা করে এ পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়। সভার কার্যবিবরণী নিয়ে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী থাকলেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নির্ধারিত ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার ওপরে রয়েছে।
কমিটির পর্যালোচনায় বলা হয়, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের মধ্যে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো এবং একই সময়ে নতুন বেতন কাঠামো চালু হওয়ায় মূল্যস্ফীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মতে, সংঘাতের কারণে মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। আমদানি ব্যয় ও সরকারের ভর্তুকির চাপও বেড়েছে। এ ছাড়া দেশে জ্বালানির দাম তুলনামূলক কম থাকায় সীমান্ত দিয়ে পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। এ বছর এপ্রিল ও জুনে জ্বালানির দাম সমন্বয়ের পর জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের শুরুতে তা অপরিবর্তিত ছিল। পরে সেপ্টেম্বরে লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়।
আপাতত অপরিবর্তিত নীতি সুদহার : বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষ্য অনুযায়ী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর নীতি সুদহারে পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলে আপাতত বর্তমান নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক বছর ধরে নীতি সুদহার বাড়ানোর পর চলতি বছরের জুলাইয়ে সেটি কমিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ৩০ জুলাই মুদ্রানীতি কমিটির সভায় রেপো বা নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হয়। ২ আগস্ট থেকে নতুন হার কার্যকর হয়।
বাজারে বাড়তি চাপ : জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর নিত্যপণ্যের বাজারেও এর প্রভাব দেখা গেছে। এক দিনের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা এবং পাম অয়েলের দাম ৫ টাকা বেড়েছে। চায়না রসুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা, দেশি রসুন ১০ টাকা, বুট ১২ টাকা ও ছোলা ১০ টাকা বেড়েছে। পাইজাম ও ২৮ চালের বস্তায়ও দাম বেড়েছে ১০০ টাকা করে। অধিকাংশ সবজির দাম কিজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। ডিমের ডজনেও বেড়েছে ৫ টাকা। মাছের দামও কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন ব্যয় বাড়ায় পাইকারি বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।
এবার প্রতি কিলোমিটারে লঞ্চ ভাড়া বাড়ল ২০ থেকে ২৩ পয়সা : সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এবার বাড়ানো হয়েছে লঞ্চ ভাড়া। প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে লঞ্চের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২৩ পয়সা এবং ১০০ কিলোমিটারের পরের দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ২০ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছে।
বুধবার লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩ টাকা ১৮ পয়সা করা হয়েছে। আর ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ৫২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৭২ পয়সা করা হয়েছে। সর্বনিম্ন ভাড়া বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সর্বনিম্ন ভাড়া ৩৫ টাকা। আগে সর্বনিম্ন ভাড়া ছিল ৩২ টাকা। সর্বনিম্ন দূরত্বও নির্ধারণ করা আছে ১০ কিলোমিটার। এরপর থেকে কিলোমিটার অনুযায়ী ভাড়া সমন্বয় হবে।
মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর নৌযানের মালিক সমিতির দাবি ছিল প্রায় ২৫ শতাংশ, সর্বশেষে ১৫ শতাংশের মতো ভাড়া বৃদ্ধি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদের দাবির যৌক্তিকতাও আছে। কিন্তু আমরা দ্বিপক্ষীয় মিটিং সফলতার সঙ্গে শেষ করে ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করেছি। এর আগে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জ্বালানি তেলের দাম ১৫ শতাংশ বাড়লেও যাত্রীদের সক্ষমতা বিবেচনায় নৌযানের ভাড়া প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। এবার তেলের দাম ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ বাড়লেও ভাড়া ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের ওপর খুব বেশি চাপ না পড়ে এবং মালিকদেরও ন্যূনতম যে ব্যয় সমন্বয় করা প্রয়োজন, সেটার মধ্যে থাকতে পেরেছি। আমার মনে হয় একটা যৌক্তিক পর্যায়ে ভাড়া বেড়েছে।
সড়ক ও নৌপথের ভাড়ার পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, নৌপথে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও যাত্রার ধরন আলাদা। নৌপথে সর্বনিম্ন ১০ কিলোমিটার দূরত্ব বিবেচনায় ৩২ টাকা থেকে ৩৫ টাকা সর্বনিম্ন ভাড়া করা অযৌক্তিক নয়।
মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে জীবনযাত্রার ওপর চাপ পড়ে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাড়া বাড়ানো অনেক ক্ষেত্রে অবধারিত হয়ে যায়। সরকার সেই চাপ যতটা সম্ভব কম রাখার চেষ্টা করেছে। ভাড়া বৃদ্ধির নামে নৈরাজ্য অথবা তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বিধায় মালিকরা স্বেচ্ছাচারী ভাড়া বাড়াবে, সেটা আমরা হতে দিইনি। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এটাই আমাদের দায়িত্ব।
রেলের ভাড়া বৃদ্ধির প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে এখনও রেলের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি। গতবার ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বাড়ার পরও রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়নি। এবারও ভাড়া না বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা চাইব ভাড়া না বাড়িয়ে অ্যাডজাস্ট রাখতে। এখনও রেলের ব্যাপারে আমরা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিইনি। চেষ্টা করব এটা এভাবে রাখতে।
এখনও ফেরির ভাড়া বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ফেরিতে লোকসান হলেও জনস্বার্থে ভাড়া না বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়লে যৌক্তিকভাবে ভাড়া সমন্বয় করা হতে পারে।
এর আগে সড়কপথের ভাড়া বৃদ্ধির পর বাস মালিকরা নির্ধারিত ভাড়া মানছে কি না, তা মনিটরিং করা হচ্ছে বলেও জানান শেখ রবিউল আলম। তার দাবি এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে পাওয়া রিপোর্ট সন্তোষজনক। নৌযানের নতুন ভাড়ার চার্ট গেজেট হওয়ার পরই তৈরি হবে। বর্তমানে প্রতিটি লঞ্চের ভাড়ার চার্ট নতুন ভাড়া অনুযায়ী হালনাগাদ করা হবে।
এদিকে লঞ্চ মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে লঞ্চ মালিকরা দুঃসহ অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ভাড়া বুধবার থেকেই কার্যকর হয়েছে।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে