খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ওজন বেড়ে গিয়েছিল ওয়েইন রুনির। সম্প্রতি অবশ্য প্রায় ৪০ কেজি ওজন কমিয়ে নতুন চেহারায় হাজির হয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক এই স্ট্রাইকার। এর পাশাপাশি করিয়েছেন নাকের অস্ত্রোপচারও। রুনির ভাষ্য, নাকের এক পাশ দিয়ে ঠিকমতো শ্বাস নিতে না পারায় অস্ত্রোপচারটি করিয়েছেন তিনি। আর স্ত্রী কোলিন তাকে অস্ত্রোপচারে রাজি করানোর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন, কারণ দীর্ঘদিন ধরে রুনির নাক ডাকার সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।
সম্প্রতি স্ত্রী কোলিনকে নিয়ে ‘দ্য রিয়েল রুনিজ’ সিরিজের প্রিমিয়ারে হাজির হন রুনি। সেখানে তার বদলে যাওয়া চেহারা নজর কাড়ে। ওজন কমানোর পেছনে কোনো ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহারের গুঞ্জনও ছড়ায়। তবে সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী সাবেক এই ফুটবলার।
ডেইলি মেইলকে রুনি বলেন, ওজন কমানোর জন্য তিনি নিয়মিত জিমে কঠোর পরিশ্রম করছেন। ইনজেকশন নিয়ে ওজন কমানোর গুঞ্জনে হতাশাও প্রকাশ করেন তিনি।
নাকের অস্ত্রোপচার নিয়ে রুনি জানান, খেলোয়াড়ি জীবনে দুইবার নাক ভেঙেছিল তার। ২০১৫ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে প্রেস্টন নর্থ এন্ডের বিপক্ষে এফএ কাপের ম্যাচে প্রথমবার নাক ভাঙে। পরে ডিসি ইউনাইটেডে খেলার সময়ও নাকে চোট পান। দীর্ঘদিন অস্ত্রোপচারটি পিছিয়ে রাখার পর শেষ পর্যন্ত এ বছর সেটি করান তিনি।
রুনি বলেন, ‘আমার নাকের এক পাশ দিয়ে ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারতাম না। তাই অস্ত্রোপচার করিয়েছি।’
আর কোলিন বলেন, ‘তার নাক ডাকার কারণে আমি অনেক দিন ধরেই তাকে অস্ত্রোপচার করাতে বলছিলাম।’
ফুটবল ছাড়ার পর কোচিংয়ে যুক্ত হয়েছিলেন রুনি। তবে কোচিং ক্যারিয়ার খুব একটা স্থায়ী হয়নি। সর্বশেষ প্লাইমাউথ আর্গাইলের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বর্তমানে বিবিসির টেলিভিশন বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন।
ভবিষ্যতে আবার কোচিংয়ে ফিরবেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন রুনি। কোচের চাকরির অনিশ্চয়তার কথাও বলেছেন তিনি। খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ার কখন শেষ হবে, সে বিষয়ে আগে থেকেই ধারণা থাকে। কিন্তু কোচ হিসেবে কতদিন চাকরি থাকবে, সেটি বলা যায় না বলে মনে করেন তিনি।
রুনির নতুন জীবনযাত্রা ও পারিবারিক জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে তৈরি হয়েছে ১০ পর্বের ডিজনি+ সিরিজ ‘দ্য রিয়েল রুনিজ’। সিরিজটি ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে স্ট্রিমিং শুরু হয়েছে।
সময়ের আলো/টিকে