ম্যাচের আগের দিন সাধারণত সংবাদ সম্মেলন ও অনুশীলন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা দলের। কিন্তু ইসরায়েলের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচের আগে সেই স্বাভাবিক চিত্র দেখা যায়নি আয়ারল্যান্ড শিবিরে। পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়, একই সঙ্গে পিছিয়ে দেওয়া হয় দলের অনুশীলনও। এ পরিস্থিতিতে ম্যাচটি ঘিরে তৈরি হয় নানা জল্পনা।
রোববার হাঙ্গেরির ডেব্রেসেনের নাগিয়ারদেই স্টেডিয়ামে ইসরায়েলের মুখোমুখি হওয়ার কথা আয়ারল্যান্ডের। ম্যাচটি ইসরায়েলের ‘হোম’ ম্যাচ হিসেবে নির্ধারিত হলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এবং দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হচ্ছে।
শনিবার সকালে আয়ারল্যান্ডের সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের আগে জানানো হয়, সেটি দলের অনুশীলনের পর হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়েও দল মাঠে না আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে আয়ারল্যান্ডের অনুশীলন ও সংবাদ সম্মেলন বিকেলে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ম্যাচটি ঘিরে আয়ারল্যান্ডে আগে থেকেই প্রতিবাদ ও বয়কটের দাবি রয়েছে। দেশটির ১৬০ জনের বেশি ক্রীড়াবিদ ও সাবেক খেলোয়াড়ও ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন।
গত জুনে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড (এফএআই) জানিয়েছিল, নিরাপত্তা ও আয়োজনে সম্ভাব্য জটিলতার কারণে ৪ অক্টোবরের ফিরতি ম্যাচটি আয়ারল্যান্ডের মাটিতে না রেখে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করা হবে। উয়েফার অনুমোদনে সেই ম্যাচটি সার্বিয়ার বাকাচা টোপোলায় দর্শকশূন্য মাঠে হওয়ার কথা।
নেশনস লিগের বি৩ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কসোভোর কাছে ১-০ গোলে হেরেছে আয়ারল্যান্ড। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে অস্ট্রিয়ার কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে ইসরায়েল। ২৭ সেপ্টেম্বরের ম্যাচের পর ৪ অক্টোবর আবারও মুখোমুখি হবে দুই দল।
তবে ম্যাচ বাতিল হওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রোববারই ম্যাচটি হওয়ার কথা রয়েছে।
সময়ের আলো/টিকে