বাংলাদেশের হয়ে অবদান রাখতে চান শুকি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

খেলা

ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামার। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, তবে অভিষেকটা সুখের হয়নি। মালয়েশিয়ার

2026-09-26T23:49:14+00:00
2026-09-26T23:49:14+00:00
 
  শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খেলা
বাংলাদেশের হয়ে অবদান রাখতে চান শুকি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম 
ছবি : সংগৃহীত
ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামার। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, তবে অভিষেকটা সুখের হয়নি। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারের ম্যাচে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পথচলা শুরু হয়েছে জাপানিজ বংশোদ্ভূত বাংলাদেশের ফুটবলার শুকি ইতোফুসার। ফল হতাশার হলেও দেশের হয়ে প্রথমবার মাঠে নামতে পেরে খুবই আনন্দিত শুকি। 

জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকের অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে শুকি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই জাতীয় দলের জার্সি পরা এবং সেই জার্সিতে মাঠে খেলা আমার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। গতকালের (শুক্রবারের) ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে বললে, এখনও কিছু জায়গায় আমার উন্নতি করার প্রয়োজন আছে।’

নিজের পারফরম্যান্সে উন্নতির জায়গাগুলো নিয়েও সচেতন এই ফুটবলার। ফিটনেস ও কন্ডিশন আরও ভালো করার পাশাপাশি গোল ও অ্যাসিস্টের মাধ্যমে দলের জন্য বেশি অবদান রাখতে চান তিনি। শুকির ভাষায়, ‘আমি আমার ফিটনেস ও কন্ডিশন আরও উন্নত করতে কঠোর পরিশ্রম করতে চাই। পাশাপাশি গোল করা বা অ্যাসিস্ট করার মাধ্যমে দলের জন্য আরও বেশি অবদান রাখতে চাই।’

অভিষেকটা যে এত দ্রুত চলে আসবে, সেটি অবশ্য ভাবেননি শুকি। তবে জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন বলেই জানিয়েছেন তিনি। ‘আমি আসলে কখনো এভাবে ভাবিনি যে আমার অভিষেক হয়ে যাবে গতকাল (শুক্রবার)। তবে আমি প্রস্তুত ছিলাম দেশের জন্য লড়তে,’ বলেন তিনি।

জাতীয় দলে শুকির জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ ভাষা। সতীর্থদের কেউ জাপানিজ বলতে পারেন না। ফলে ইংরেজি, সহজ কিছু শব্দ আর ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে সতীর্থদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তিনি। তবে দলের কয়েকজন খেলোয়াড় নিয়মিত তার খোঁজখবর নেওয়ায় মানিয়ে নিতে সমস্যা হচ্ছে না শুকির। ‘আমি জানি, তারা জাপানিজ বলতে পারে না।


তবে আমার সতীর্থরা ইংরেজি বা সহজ কিছু ইশারা-ইঙ্গিত ব্যবহার করে, যতটুকু আমি বুঝতে পারি। কিছু সতীর্থ সবসময় আমার খেয়াল রাখে এবং আমার সঙ্গে কথা বলে। তাই এখন আমি মোটামুটি একটা পর্যায় পর্যন্ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি। সময়টা খুব উপভোগও করছি, কোনো সমস্যা হচ্ছে না,’ বলেন জাপানে বেড়ে ওঠা এই ফুটবলার।

পরিবার থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকার বিষয়টিকেও বড় কোনো সমস্যা হিসেবে দেখছেন না। বরং নিজের স্বপ্ন পূরণের সঙ্গে পরিবারের স্বপ্নও জড়িয়ে আছে বলে মনে করেন তিনি। ‘পরিবার থেকে দূরে থাকা একজন ফুটবলার হিসেবে আমার স্বপ্ন, আবার এটা আমার পরিবারেরও স্বপ্ন। পরিবার থেকে দূরে থেকে আমি যদি সফল হতে পারি, তা হলে সেটা আমার পরিবার এবং আরও অনেক মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে আনে।

তাই আমি মনে করি, পরিবার থেকে দূরে থাকাটা কোনো সমস্যা নয়,’ বলেন এই ফরোয়ার্ড। বাংলাদেশি ও জাপানিজ সংস্কৃতির মেলবন্ধন তার পরিবারেও রয়েছে। বাসায় মূলত জাপানিজ ভাষাতেই কথা হয়। তবে শুকির বাবা বাংলায় কথা বলেন।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে অভিষেকের পর এখন শুকির সামনে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ সিঙ্গাপুর। আগামী বৃহস্পতিবার ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। অভিষেকের ম্যাচের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সেই ম্যাচে আরও পরিণত পারফরম্যান্স উপহার দিতে চান সাদা চুলের শুকি ইতোফুসা।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/টিকে
  বিষয়:   বাংলাদেশ  অবদান  শুকি  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
খেলা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: