সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠে হাঁটুপানি জমে যায়। পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় এক ভবন থেকে অন্য ভবনেও যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন চিত্র শেরপুরের ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগে পড়ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। ব্যাহত হচ্ছে খেলাধুলা, অ্যাসেম্বলি ও বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০১৮ সালে সরকারি করা হয়। বর্তমানে এখানে প্রায় ৫৪০ শিক্ষার্থী ও ২৩ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। বিদ্যালয়ের মাঠটি পাশের প্রধান সড়কের চেয়ে প্রায় দুই ফুট নিচু। তিন পাশে নতুন বাড়িঘর নির্মাণ হওয়ায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও অনেকটা বন্ধ হয়ে গেছে।
সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠে হাঁটুপানি জমে যায়। পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। অনেক সময় এক ভবন থেকে অন্য ভবনেও যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়ে। জলাবদ্ধতা কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী বায়েজিদ জানায়, বৃষ্টির পর মাঠে পানি জমে থাকায় জুতা পরে চলাচল করা যায় না। প্রায় জুতা হাতে নিয়ে যেতে হয়।
সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) হারুন অর রশিদ বলেন, বৃষ্টি হলেই মাঠে পানি জমে এবং কখনো কখনো তিন দিন পর্যন্ত থাকে। ফলে অ্যাসেম্বলিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়।
প্রধান শিক্ষক আব্দুর রেজ্জাক বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই মাঠটির এমন অবস্থা। মাঠে মাটি ভরাট ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে সমস্যার সমাধান হবে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও মাঠ ভরাটের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হবে।
ইউএনও মো. আল আমীন জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/এনএন