বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষকসহ ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য সচিব ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান। এর আগে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৩তম সিন্ডিকেট সভায় তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
বহিষ্কৃত অন্যরা হলেন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু, তৎকালীন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান ওরফে তুফান, সেকশন অফিসার মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তাকর্মী নূর আলম মিয়া এবং এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর দেওয়া রায়ের কপি পাওয়ার পর বিষয়টি সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হয়। এরপর সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ‘শহিদ আবু সাঈদের প্রতি সম্মান এবং তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে’ সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ১৬ জুলাই বেরোবির ১ নম্বর গেটের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। ওই স্থানটি বর্তমানে ‘শহীদ আবু সাঈদ গেট’ নামে পরিচিত।
সময়ের আলো/জেডি