মেহেরপুরের গাংনীতে শোয়েব আলী (১৩) নামে মাদরাসা শিক্ষার্থীকে পড়া না পারায় কঞ্চি দিয়ে পিটিয়ে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে গাংনী পৌরসভাধীন পশ্চিম মালসাদহ ফজলুল উলুম কওমি মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে শিক্ষার্থী ও তার পরিবার।
আহত শিক্ষার্থী শোয়েব আলী পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের বাসিন্দা এবং উক্ত মাদরাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।
শোয়েব আলী জানায়, পড়া না পারায় শিক্ষক দ্বীন ইসলাম তাকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। পরে সে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
শোয়েব আলীর পিতা আব্দুল গনি বলেন, ‘ছেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্য জায়গায় আঘাতের চিহ্ন বুঝতে পারলেও পায়ের আঘাতের বিষয়টি বুঝতে পারিনি। পরে ছেলে হাঁটতে না পারায় বৃহস্পতিবার তাকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পায়ের গোড়ালির হাড় ফেটে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।’
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সামিয়া সুলতানা জানান, এক্স-রে করার পর বোঝা গেছে পায়ের নিচের অংশের হাড় ফেটে গেছে। তাকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলতে মাদরাসার শিক্ষকদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা কথা বলতে রাজি হননি।
গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। ওই এলাকায় খোঁজখবর নিচ্ছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সময়ের আলো/মহু