ন্যায়বিচার গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে

রফিক রাফি

জাতীয়

গণসংহতি আন্দোলনের সাবেক প্রধান সমন্বয়কারী ও বর্তমান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি সরকারের পরিকল্পনা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, অনিয়ম-দুর্নীতি, রাজস্ব

2026-10-04T01:35:43+00:00
2026-10-04T01:35:43+00:00
 
  রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬,
১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয়
ন্যায়বিচার গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে
রফিক রাফি
প্রকাশ: রোববার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৫ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
গণসংহতি আন্দোলনের সাবেক প্রধান সমন্বয়কারী ও বর্তমান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি সরকারের পরিকল্পনা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, অনিয়ম-দুর্নীতি, রাজস্ব ও ঋণ ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ আকর্ষণসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন সময়ের আলোর সঙ্গে। আলোচনায় উঠে এসেছে গণসংহতির রাজনীতিও। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সময়ের আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রফিক রাফি।

সময়ের আলো : দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের ৭ মাসে কাজের মূল্যায়ন কীভাবে করবেন?

জোনায়েদ সাকি : দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই সরকার সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। প্রথম দিনেই কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদে-আসলে যে ঋণ ছিল, তা মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

এর ফলে লাখ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন এবং কৃষি খাতে একটি বড় স্বস্তি ফিরে এসেছে। এই পদক্ষেপের পর সরকারের মূল ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রামগুলোর কাজ শুরু করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে খাল খনন কর্মসূচি এবং কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী তৈরি। শিক্ষাক্ষেত্রে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ, স্কুল ড্রেস, জুতো, সাইকেল ও শিক্ষাসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবায় প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন জোরদার করা হচ্ছে, যাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছায়। 

এ ছাড়া ক্রীড়া ও সংস্কৃতির প্রসারেও নানা সামাজিক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য দেশের সার্বিক সামাজিক কল্যাণ সুনিশ্চিত করা। জনগণকে দেওয়া অঙ্গীকারগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

নতুন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কী কৌশল গ্রহণ করেছে?

জাতীয় বাজেটের দুটি অংশ থাকে— রেভিনিউ ও উন্নয়ন বাজেট। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় মূলত উন্নয়ন বাজেট নিয়ে কাজ করে। দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখা যায় ১ হাজার ৩৩৩টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান। অতীতের দীর্ঘসূত্রতা, লাগামহীন ব্যয়বৃদ্ধি এবং নিম্নমানের কাজের সমালোচনা সত্ত্বেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে স্থবির না করে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য এসব প্রকল্প পর্যালোচনা ও পুনর্ণয়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

অন্যদিকে বাজেটের আগেই ১ হাজার ২৭০টি নতুন প্রকল্প প্রস্তাব জমা পড়েছিল। এই বিশাল সংখ্যার প্রকল্প পরিচালনা এবং একই সঙ্গে এগুলোকে দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করাই আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

অতীতে প্রকল্প বাস্তবায়নে যে সমন্বয়হীনতা ও অপচয় দেখা গেছে, তা দূর করতে কীভাবে কাজ করছেন?

অতীতের প্রকল্পগুলো বিচ্ছিন্নভাবে গ্রহণ করা হতো। একটির সঙ্গে অন্যটির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় থাকত না। যেমন বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হলেও সঞ্চালন লাইন ছিল না। ফলে কোটি কোটি টাকার বিদ্যুৎকেন্দ্র অব্যবহৃত পড়ে থাকত। স্বাস্থ্য খাতের হাসপাতাল বা পয়োনিষ্কাশনের ক্ষেত্রেও একই রূপ বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত দেখা গেছে।

সম্প্রতি দাশেরকান্দি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্টে (এসটিপি) দেখা গেছে, সংযোগ পাইপলাইন না থাকায় সক্ষমতার মাত্র ৩০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে এবং অবশিষ্ট ৭০ শতাংশ অকেজো পড়ে রয়েছে। সংযোগ লাইন নির্মাণ করতে আরও সময় লাগবে। 

ফলে এতদিন এই সরকারি সম্পদের একটি বড় অংশ অকেজো হয়ে থাকবে। এই জাতীয় অপচয় বন্ধ করতে আমরা ‘প্রোগ্রামেটিক অ্যাপ্রোচ’ বা গুচ্ছ-প্রকল্প ব্যবস্থা প্রবর্তন করছি। এর মাধ্যমে সম্পর্কিত প্রকল্পগুলোকে একত্রে এনে ওভারল্যাপিং বন্ধ করা হচ্ছে এবং প্রকল্পের সর্বোচ্চ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সহজ হচ্ছে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে প্রকল্পগুলোকে পুনর্গঠন করছি এবং সমন্বয়হীনতা দূর করছি। 

রাজনৈতিক বিবেচনায় উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া থেকে সরকার বেরিয়ে আসতে পারবে কি?

প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজের মান বজায় রাখতে কতগুলো মৌলিক মানদণ্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; যেমন— ‘ভ্যালু ফর মানি’ ও ‘রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট’ নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সংস্থান এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করা। 

তৃতীয়ত, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের প্রবেশগম্যতা, নারী-পুরুষের বৈষম্য দূরীকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের দিকটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সর্বোপরি, প্রকল্পটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে কী ভূমিকা রাখছে— তা মূল্যায়ন করেই প্রকল্প অনুমোদনের সুপারিশ করা হচ্ছে।


প্রকল্প অনুমোদনের জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক ধীরগতি কাটাতে কী সংস্কার আনা হচ্ছে?

পূর্বে একটি প্রকল্প অনুমোদনে ১৮টি পৃথক স্তর পার হতে হতো। এতে বছরের পর বছর পার হয়ে যেত। আমরা এই স্তরগুলোর সময়সীমা সুনির্দিষ্ট করে ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনার সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছি, যা দ্রুতই আইনগত পর্যায়ে পৌঁছাবে।

বিশেষ করে ফিজিবিলিটি স্টাডি ও ডিপিপি তৈরির সময়সীমা নির্দিষ্ট করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগে একটি নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। প্রকল্প বিলম্বের অন্যতম প্রধান কারণ ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতা। আমরা ভূমি অধিগ্রহণ আইন ও বিধির প্রয়োজনীয় সংস্কার করছি। এর সঙ্গে ক্রয়-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন ও সময়সূচি বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি প্রতিরোধ ও তদারকি জোরদারে ডিজিটাল অটোমেশন কীভাবে ভূমিকা রাখবে?

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাজের মধ্যে সর্বাত্মক অটোমেশন গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য ‘সিটিজেন ওয়ান নাম্বার’ ও ‘ওয়ান ওয়ালেট’ চালুর কাজ চলছে, যা সরকারের জবাবদিহিতা বাড়াবে।

প্রকল্পের ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিজিটাল ‘রেট সিডিউল’ চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বড় ও বিশেষায়িত প্রকল্পগুলোর মূল্যায়নের জন্য প্রজেক্ট ইভালুয়েশন কমিটিতে (পিইসি) স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়, অর্থমন্ত্রী এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ড তৈরি করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থবিরতা তৈরি হলে তা রিয়েল-টাইমে মনিটর করা সম্ভব হবে।

দেশে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ ও ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে?

অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ত্বরান্বিত করা প্রয়োজন। সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে তার ওপর ভিত্তি করে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত হয়। বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করতে অর্থ খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার কাজ চলছে।

দ্বিতীয়ত, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও সাশ্রয়ী করতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো এবং ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে, যাতে অনানুষ্ঠানিক খরচের চাপ বন্ধ করা যায়।

জ্বালানি ও গ্যাসের সংকট দূর করতে সরকার কী রূপরেখা তৈরি করেছে?

বিগত ১৭ বছর গ্যাস অনুসন্ধানে স্থবিরতা থাকায় দেশ সম্পূর্ণ আমদানি-নির্ভর হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সরকার মেয়াদের মধ্যে স্থলভাগ ও সমুদ্রে মোট ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে তিনটির কাজ শুরু হয়েছে এবং ৩০টি প্রক্রিয়াধীন। ভোলা থেকে গ্যাস আনতে পাইপলাইন নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে দুটি এফএসআরইউ দিয়ে গ্যাস আমদানি করা যায়, যেখানে চাহিদা অনেক বেশি। নিজস্ব উৎপাদন বাড়িয়ে এই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা চলছে।

ভোলা থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আনা কি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হবে?

কেবল কোনো একটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের একক খরচের হিসাব দিয়ে এটি মূল্যায়ন করা যাবে না; এটিকে সামষ্টিক অর্থনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। জ্বালানি সংকটের কারণে যখন কলকারখানা ও পুরো অর্থনীতি থমকে দাঁড়ায়, তখন যে ক্ষতি হয়, তা পাইপলাইন খরচের চেয়ে অনেক বেশি। সুতরাং উৎস বহুমুখীকরণ (ঝড়ঁৎপব উরাবৎংরভরপধঃরড়হ) নিশ্চিত করে অর্থনীতিকে সচল রাখাটাই মূল অগ্রাধিকার।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে সোলার পাওয়ার উৎপাদনে সরকার কী নীতি গ্রহণ করেছে?

সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে গুরুত্ব দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এতে বড় সোলার পার্ক ও রুফটপ সোলার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সোলারসামগ্রী আমদানিতে ট্যাক্স ও ডিউটির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাতাস ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সরকারে যুক্ত থেকেও দল হিসেবে ‘গণসংহতি আন্দোলন’ কীভাবে তাদের স্বাধীন নীতি বজায় রাখছে?

মন্ত্রিসভায় নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে কাজ করলেও গণসংহতি আন্দোলন স্বাধীনভাবে সমতা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। আমি ইতিমধ্যেই দলীয় প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলন সমাজবাদী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য লড়াই করে। সরকারের যেসব কাজ জনকল্যাণমুখী, দল সেগুলোকে সমর্থন জানাবে; আবার কোনো নীতিতে অসংগতি দেখা দিলে দল রাজপথে জনগণের পক্ষে সোচ্চার প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এটিই একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক অনুশীলনের সৌন্দর্য।

বলা হচ্ছে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন, বিষয়টা কীভাবে দেখছেন? জুলাই-আগস্টের গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আপনার অভিমত কী?

কে কোথায় কখন ফিরবে এটা তো আমি বলতে পারব না। বিষয়টা হচ্ছে, যারা গণহত্যার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় বিচার গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক দল হিসেবে যদি কারও এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকে সেটাও বিচারের বিষয়বস্তু হওয়া দরকার। ন্যায়বিচার হচ্ছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ন্যূনতম শর্ত। এতটুকু না থাকলে সেই রাষ্ট্রব্যবস্থার অস্তিত্ব দুর্বল হয়ে যায়। এটা আমরা আগে দেখেছি। ফলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেই আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। 

সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে এবং সময়ের আলো পরিবারকেও ধন্যবাদ।

সময়ের আলো/প্রিন্ট/এসএকে
  বিষয়:   ন্যায়বিচার গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে 


Advertisement
Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: