সিইসির বিরুদ্ধে কেন উত্তাল ভারত?

সময়ের আলো ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে এখন দেশটির জেন-জি ও বিরোধী দলগুলোর মুখে একই স্লোগান— ‘জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো।’

2026-10-09T02:34:45+00:00
2026-10-09T02:34:45+00:00
 
  শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬,
২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
সিইসির বিরুদ্ধে কেন উত্তাল ভারত?
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৪ এএম 
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে এখন দেশটির জেন-জি ও বিরোধী দলগুলোর মুখে একই স্লোগান— ‘জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো।’ ছবি : সংগৃহীত
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে এখন দেশটির জেন-জি ও বিরোধী দলগুলোর মুখে একই স্লোগান— ‘জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো।’ যার মানে হলো ‘জ্ঞানেশ, তোমার খেলা শেষ’। ভারতের কোনো সাংবিধানিক সংস্থার বিরুদ্ধে এভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি তরুণদেরও রাস্তায় নামার ঘটনা সাম্প্রতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন। তথ্যসূত্র : বিবিসি নিউজ বাংলা, বিবিসি নিউজ হিন্দি ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

বুধবার ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপির ডাকা সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বামপন্থি নেত্রী নেহা বোরা বলেন, ১৩ কোটি মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করা দেশের সবচেয়ে গুরুতর ইস্যু।

তার ভাষ্য, ২ অক্টোবর মুম্বাইয়ে সিজেপির সমাবেশে বিপুল মানুষের উপস্থিতি থেকেই স্পষ্ট, এটিই এখন মানুষের দাবি।
গত সপ্তাহ থেকে ককরোচ জনতা পার্টি ও বিভিন্ন বামপন্থি দল-সংগঠনের যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, বুধবার দিল্লি থেকে তা আরও জোরদার করার ডাক দেন নেহা বোরা। তিনি নকশালপন্থি দল সিপিআইএমএলের (লিবারেশন) ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বা আইসার সর্বভারতীয় সভাপতি।

একই সম্মেলন থেকে আবারও ওঠে ‘জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো’ স্লোগান। ইতিমধ্যে সেøাগানটি ভারতীয় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের দলগুলোও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করেছে।

এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত একটি তদন্তমূলক প্রতিবেদন। নিয়ম অনুযায়ী ভারতের নির্বাচন কমিশনের শীর্ষে থাকা তিন সম-পদমর্যাদার নির্বাচন কমিশনার মতবিনিময় করে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বা সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর ওই তদন্তে বলা হয়, বহু ক্ষেত্রে দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীর আপত্তি সত্ত্বেও নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

এসব নির্দেশের বেশির ভাগই ছিল ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর সংক্রান্ত। আর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে মানুষের নাম বাদ পড়ার বিষয়টি সরাসরি যুক্ত। সেই সিদ্ধান্তগুলোর পেছনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দিকে আঙুল তুলেছে বিরোধী দলগুলো।

বামপন্থি সংগঠনগুলো ২ অক্টোবর থেকেই দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। সেখানে সাধারণ ছাত্র-যুবদের অংশগ্রহণও দেখা গেছে। এখন দেখার বিষয়— বিরোধীদের এই আন্দোলনে যুবসমাজ এতটা জড়িয়ে পড়ল কীভাবে? আর এই আন্দোলন কি ধীরে ধীরে সরকারবিরোধী আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে?

রাহুলের আন্দোলন, কমিশনের বক্তব্য

৬ অক্টোবর প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তার সঙ্গে দেখা করতে হবে— এই দাবিতে নির্বাচন কমিশন দফতরের কাছেই আকাশবাণী ভবনে অনেক রাত পর্যন্ত অবস্থান করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। মূলত বিরোধী এমপিদের নিয়ে ওই কর্মসূচিতে সাধারণ তরুণদের উপস্থিতি খুব বেশি ছিল না। তবে এটি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বৃহত্তর আন্দোলনেরই অংশ।

বিক্ষোভের সময় পুলিশ প্রথমে রাহুল গান্ধীকে আটক করে এবং রাত ৯টার দিকে তাকে কিংসওয়ে ক্যাম্প থানায় নিয়ে যায়। এর আগে দুপুরের দিকে কিছু সময়ের জন্য আটক করা হয় রাহুল গান্ধী, তার বোন কংগ্রেস এমপি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকারী এমপিদের।

ছাড়া পাওয়ার পর রাহুল গান্ধী দাবি করেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে তার সঙ্গে দেখা করতে হবে। এই দাবিতেই তিনি আকাশবাণী ভবনে রাত পর্যন্ত অবস্থান করেন। মঙ্গলবারের বিক্ষোভ থেকে তিনি বলেন, ‘দেশের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা দেশদ্রোহিতা। প্রধানমন্ত্রী মোদি, অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান বা জ্ঞানেশ কুমার— কেউই রেহাই পাবে না।’

দিনের শেষভাগে নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়াও আসে। কমিশন জানায়, বিক্ষোভরত সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে স্মারকলিপি নিতে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যেখানে অবস্থান করছিলেন, সেখানে কমিশনের দায়িত্বে থাকা সর্বোচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাকে পাঠানোর প্রস্তাব তারা দিয়েছিল। 

কমিশনের দাবি, এটি একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ হতে পারত। কিন্তু বিক্ষোভরত নেতারা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের দাবিতে অনড় থাকেন। এর পরেই পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় রাহুল গান্ধীকে।

মঙ্গলবার রাতেই বিজেপির পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সুধাংশু ত্রিবেদী। রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলার আদৌ বিরোধীদের ইচ্ছা নেই, এই ঘটনাই তার ইঙ্গিত দেয়। তার দাবি, সংসদ যদি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলতে চায়, তা হলে কমিশনের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিকে তলব করা হয়; প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সরাসরি তলব করা সংবিধানবিরোধী।


বুধবারও আটক হন রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা। একটি রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খাওয়ার পর বিরোধী নেতাদের সঙ্গে যন্তরমন্তরের উদ্দেশে রওনা দেন রাহুল গান্ধী। পুলিশ তাদের সেখানে ঢুকতে দেয়নি। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

কোন সেøাগানে ভাষা খুঁজে পেল জেন-জি

শুরুতে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর তদন্তমূলক প্রতিবেদনটি মূলত ভারতের বিরোধী দলগুলোর মধ্যেই আলোড়ন তুলেছিল। ২০২৫ সাল থেকে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর বহু ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। ফলে অনেকে ভোট দিতে পারেননি।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃত বহু মানুষকে ভোটদান থেকে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং এর ফলে বিজেপির জয়ের পথ সহজ হয়েছে। রাহুল গান্ধীও সাংবাদিক সম্মেলনে সরাসরি ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ এনেছিলেন।

তবে শুরুতে এ ইস্যুতে যুবসমাজের অংশগ্রহণ ছিল নগণ্য। পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে ২ অক্টোবর। ওই দিন মুম্বাইয়ে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ থেকে অভিজিৎ দীপক জেন-জিদের ভাষায় বলেন, ‘জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো।’

শিবাজি পার্কের ওই সমাবেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ উপস্থিত ছিলেন। তরুণদের মধ্যে অভিজিৎ দীপকের গ্রহণযোগ্যতা এর আগেও দেখা গেছে। জুলাইয়ে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন।

ফলে ‘জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো’— স্লোগানটি ছাত্র-যুবদের মধ্যে ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাজনৈতিক দলগুলোও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একই স্লোগান ব্যবহার শুরু করে।

মুম্বাইয়ের সমাবেশে অভিজিৎ দীপক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি এক গরিব মায়ের সন্তান। আপনার কারণে সব সন্তানই গরিব মায়ের সন্তান হয়ে গেছে।’ অর্থাৎ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগকে তিনি সরাসরি তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে দেন।

সাবেক আমলা জহর সরকার বিবিসি নিউজ বাংলাকে বলেন, আজ যাদের বয়স ২৫, তারা ১২ বছর বয়স থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি শুনে বড় হয়েছে। কিন্তু বড় হয়ে তারা দেখছে, প্রতিশ্রুতি মতো স্থায়ী কর্মসংস্থান হয়নি। তার মতে, এই আন্দোলন শুধু সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নয়, সরকারের বিরুদ্ধেও তরুণসমাজ তাদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে।

সরকারের দিকে আঙুল কেন?

নির্বাচন কমিশনের কাজ নিয়ে সরকারের দিকে অভিযোগের পেছনে রয়েছে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতির সাম্প্রতিক পরিবর্তন। ভারতের নির্বাচন কমিশন গঠিত হয় ১৯৫০ সালে। তখন নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ছিল। বহুদিন এই নিয়মে পরিবর্তন হয়নি।

২০২৩ সালের মার্চে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ ‘অনুপ বারানওয়াল বনাম ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া’ মামলায় রায় দেয়, নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত একটি প্যানেল।

কিন্তু একই বছর শাসক দলের উদ্যোগে সংসদে পাস হওয়া আইনে ফের পরিবর্তন আনা হয় নিয়োগ পদ্ধতিতে। নতুন ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী, একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং বিরোধীপক্ষের একজন প্রতিনিধির ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়। অর্থাৎ প্যানেলে সরকারের প্রতিনিধি হয়ে যান দুজন। বিরোধীদের অভিযোগ, এতে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিই প্রাধান্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দাখিল হওয়া একটি পিটিশনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ ৬ অক্টোবর যে মন্তব্য করেছে, তাতেও বিতর্ক নতুন মাত্রা পায়।

কেন নজিরবিহীন এই আন্দোলন?

নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের আমলে কৃষক আন্দোলন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনের মতো বড় জন-আন্দোলন হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে সরকার আন্দোলনকারীদের দাবিও মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। তবে সেসব ছিল মূলত সরকারবিরোধী আন্দোলন। সাবেক আমলা জহর সরকার বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে একমাত্র তুলনা করেন জয়প্রকাশ নারায়ণের আন্দোলনের। ১৯৭৪ সালে বিহার ও উত্তর প্রদেশ থেকে শুরু হওয়া জয়প্রকাশ আন্দোলন, বা ‘সম্পূর্ণ ক্রান্তি’ অ ান্দোলনের মূল দাবির মধ্যে ছিল দুর্নীতি, মুদ্রাস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের সমস্যা। সেই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে ইন্দিরা গান্ধীকে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য করেছিল।

বর্তমান আন্দোলন মূলত নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গড়ে উঠলেও জহর সরকারের মতে, এর সঙ্গে যুবসমাজের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের দাবিও জড়িয়ে গেছে।

পরিস্থিতি মানবে না যুবসমাজ

জুলাইয়ে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলন মূলত সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট’-এ কথিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছিল। কিন্তু সেই আন্দোলন থেকেই তরুণরা কর্মসংস্থান ও শিক্ষার মতো বিষয় সামনে আনতে শুরু করে।
নেহা বোরা বলেন, সিজেপির মঞ্চে এমন কথাও হচ্ছিল যে বিজেপি ও আরএসএসের বিভাজনের রাজনীতি দেশকে এমন অবস্থায় নিয়ে গেছে, যেখানে প্রশ্নপত্র ফাঁসও বড় বিষয় বলে মনে হয় না। কিন্তু এসব আলোচনা মূলধারায় উঠলেই হিন্দু-মুসলমান সংক্রান্ত বয়ান এসে মানুষের মনোযোগ সরিয়ে নেয়। তার ভাষায়, আন্দোলনটি যে শিক্ষা দিয়েছে, তা শুধু এই উপলব্ধিতে সীমাবদ্ধ নয় যে ‘ফ্যাসিবাদীদের কাছ থেকেও জবাবদিহি আদায় করা সম্ভব’।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক সঞ্জীব শ্রীবাস্তব বিবিসি নিউজ হিন্দিকে বলেন, দেশের তরুণ সমাজের উদ্দীপনা এখন নতুন দিকে মোড় নিচ্ছে। তারা আর আগের মতো পরিস্থিতি যেমন আছে তেমনই মেনে নিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে রাজি নয়।


সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে
  বিষয়:   সিইসি  উত্তাল  ভারত 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: