প্রত্যাহার করা উপাচার্যকে পুনর্বহালে আন্দোলন অব্যাহত আছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)। টানা ১৯ দিনেও স্বাভাবিক হয়নি শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। এরই মধ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের অনুপস্থিতিতে দুই দিনের জন্য উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পেয়েছেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আরাফাত রহমান।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে এক ই-মেইল বার্তার মাধ্যমে অধ্যাপক আরাফাত রহমানকে এ দায়িত্ব দেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। আগামী ১১ ও ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একটি সভায় যোগ দিতে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ঢাকায় অবস্থান করবেন। এ সময় উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন অধ্যাপক আরাফাত রহমান। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, ডিন ও বিভিন্ন দফতর প্রধানকে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম বলেন, দুই দিনের জন্য অধ্যাপক আরাফাত রহমান রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় তিনি অ্যাকাডেমিক বিষয়গুলো দেখবেন। প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, দুদিনের দায়িত্বে কেউ থাকলেও চলবে আন্দোলন। এতে আন্দোলনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। সায়েম স্যারকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চলবে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে চুয়েটের উপাচার্য পদে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পরদিন থেকেই ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভের মুখে এখন পর্যন্ত ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। এরমধ্যে পুলিশের সহায়তায় ক্যাম্পাসে যাওয়ার উদ্যােগ নেন নতুন উপাচার্য। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি ক্যাম্পাসে যাননি।
সময়ের আলো/আতা