ভারতের দিল্লিতে সোমবার (১২ অক্টোবর) বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করতে যাচ্ছে বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) প্রধান ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এতে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছে দলটি।
নির্বাচন কমিশনের প্রধান (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করছেন বিরোধীরা। এ নিয়ে দিল্লিতে পুলিশের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবারের কর্মসূচিতে অংশ নিতে দিল্লিতে অবস্থান দীর্ঘায়িত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার কলকাতায় ফেরার পূর্বনির্ধারিত সূচিও বাতিল করা হয়েছে। এর আগে শনিবার দক্ষিণ অ্যাভিনিউ বাসস্ট্যান্ডের কাছে সড়কে ধর্নায় বসার পর তাকে আটক করে পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে অভিযানের সময় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক এবং ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও আটক করা হয়। বিদেশে বসবাসকারী রাঠি সিইসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে যোগ দিতে এসেছিলেন। তাকে গুরুগ্রামের বাসভবন থেকে আটক করা হয়। বিক্ষোভের কারণে দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশনও প্রভাবিত হয়।
একই দিন সিইসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে যোগ দিতে বের হলে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হন আম আদমি পার্টির (আপ) আহ্বায়ক ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ভোটার তালিকার এসআইআর প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে সিজেপি এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল।
এদিকে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্র। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি রাহুলকে ‘অযোগ্য নেতা’ বলে আখ্যা দেন। শুক্রবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকের পর রাহুলের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে পাত্র অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে রাজপথের বিক্ষোভে টেনে আনার চেষ্টা করেছেন কংগ্রেস নেতা। তার দাবি, রাহুল দেশজুড়ে ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
টিএমসি নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দিল্লিতে ফিরে সোমবারের বিক্ষোভে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে দলটি।
সময়ের আলো/জেডি