চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৮৫৯ কোটি ডলার। এর মধ্যে সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ৫০৯ কোটি ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৬০ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রেমিট্যান্স এসেছিল ৭৫৮ কোটি ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১০১ কোটি ডলার বা ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ।
রেমিট্যান্স বাড়ার ধারা চলতি অক্টোবরেও অব্যাহত রয়েছে। মাসের প্রথম ১১ দিনে প্রবাসীরা ১১৭ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ৯৯ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে এই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৮ শতাংশের বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি ১৬৫ কোটি ডলার এসেছে সৌদি আরব থেকে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে ১২২ কোটি ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৭৭ কোটি ৭৬ লাখ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৭৭ কোটি ৪৮ লাখ ডলার এসেছে। পঞ্চম অবস্থানে থাকা মালয়েশিয়া থেকে এসেছে প্রায় ৬৭ কোটি ডলার।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি এবং হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে রেমিট্যান্স বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি। এর আগের অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
রেমিট্যান্সের এই প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্বস্তি ফেরাতে ভূমিকা রাখছে। দীর্ঘদিন ধরে ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকার আশপাশে রয়েছে।
সময়ের আলো/কেএইচও