কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

সারাদেশ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ ইউনিয়নের লোহারংক খাল দখলে নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন প্রভাবশালী একদল গ্রামবাসী। প্রশাসন

2026-10-13T13:20:20+00:00
2026-10-13T13:22:11+00:00
 
  মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬,
২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ
কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২০ পিএম  আপডেট: ১৩.১০.২০২৬ ১:২২ পিএম
জেলা-উপজেলা প্রশাসনের লোকজন খালটি শনাক্ত করে লাল নিশান গেড়ে দিয়েছে। ছবি : সময়ের আলো
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ ইউনিয়নের লোহারংক খাল দখলে নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন প্রভাবশালী একদল গ্রামবাসী। প্রশাসন মাঠে নেমে দখলকৃত খাল শনাক্ত করলেও এখন পর্যন্ত দখলদারদের উচ্ছেদ করেনি। 

সরেজমিনে জানা গেছে, লোহারংক গ্রামের প্রভাবশালী মনির বিশ্বাস, সেলিম বিশ্বাস, বাবুল মোল্লা, ইমারত মোল্লা, আমজাদ মোল্লা, মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া, সেকেন্দার দাড়িয়া, আউয়াল দাড়িয়া, মানির দাড়িয়া, কাসেম দাড়িয়া, ইব্রাহিম দাড়িয়া, কিবরিয়া বিশ্বাস, রতন দাসসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রায় ১ কিলোমিটার বিস্তৃত একটি সরকারি খাল ভরাট করে দখলে নিয়েছেন। দখলকৃত এই জায়গার উপরে কাচা-পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন।

সম্প্রতি খালটি দখলমুক্ত করার জন্য লোকারংক গ্রামের ফরিদ দাড়িয়াসহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি বাদী হয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পর খালটি উদ্ধারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন মাঠে নামে।

গত কয়েকদিন ধরে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের লোকজন সরেজমিনে গিয়ে খালটি শনাক্ত করলেও এখন পর্যন্ত খালটি দখলমুক্ত করতে পারেনি। 


এ বিষয়ে আবেদনকারী ফরিদ দাড়িয়া বলেন, ‘প্রায় ৩০ বছর ধরে এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘরবাড়ি তুলে খালটি দখল করে রেখেছে। এতে বৃষ্টি হলেই গ্রামটিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তাই আমরা গ্রামবাসী মিলে খালটি দখলমুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করি। আমাদের আবেদনের পর জেলা-উপজেলা প্রশাসনের লোকজন মেপে খালটি শনাক্ত করে লাল নিশান গেড়ে দিয়েছে। এরপর কয়েকদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও প্রশাসন এখন পর্যন্ত খালটি দখলমুক্ত করেনি।’

দখলদার মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া বলেন, ‘আমার দলিলের জায়গার উপর দিয়ে গ্রামের লোকজন সরকারি রাস্তা নিয়ে আমাকে খালের জায়গা দিয়েছে। এখন রাস্তার জায়গা আমাকে ছেড়ে দিলে আমি খালের জায়গা ছেড়ে দেবো।’

অপর দখলদার মনির বিশ্বাস বলেন, ‘প্রশাসন থেকে আমাকে যখন বলা হবে, আমি তখন জায়গা ছেড়ে দেবো।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীন বলেন, ‘খালটি মেপে জায়গা নির্ধারণের কাজ এখনো চলছে। পরবর্তীতে উচ্ছেদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সময়ের আলো/মহু
  বিষয়:   কোটালীপাড়া  খাল  দখল  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: