প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪২ পিএম
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। ছবি : সংগৃহীতকালীগঞ্জে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় স্থানীয় বিএনপির নেতা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক মোল্লা ও কালীগঞ্জ থানা পুলিশের উপর-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় পুলিশের আরও দুই সদস্য আহত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মাঝরাতে আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকার টঙ্গি-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত রফিকুল ইসলাম রফিক মোল্লা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন ও তুমলিয়া এলাকার মৃত ওয়াজ উদ্দিনের পুত্র।
থানা সূত্রে জানা যায়, এসআই মিজানুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল কালীগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুমলিয়া এলাকায় সড়কের পাশে টহল ও ওয়ারেন্ট তামিলের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় তারা কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাড়ি থামান। তখন একটি কাভার্ডভ্যান তাদের ধাক্কা দেয়।
এতে এসআই মিজানুর রহমান, পিএসআই জাবেদ ওমর, চালক কনস্টেবল ফজলে রাব্বি এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
পুলিশের দাবি, ধাক্কার পর এসআই মিজানুর রহমান কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে আটকে গেলে তাকে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায় এবং সড়কের পাশে ফেলে রেখে চালক পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় এক রিকশাচালক ও পথচারীরা আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার মোস্তফা আল হোসাইন তখন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
গুরুতর আহত এসআই মিজানুর রহমান ও পিএসআই জাবেদ ওমরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে এসআই মিজানুর রহমানের মৃত্যু হয়। পিএসআই জাবেদ ওমর ঢাকায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। আহত কনস্টেবল ফজলে রাব্বিকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সময়ের আলো/এনএন