প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫২ পিএম আপডেট: ২৩.১০.২০২৬ ৪:৩৪ পিএম
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারানো প্রবাসী শাহেদ আহমেদ আশিকের মরদেহ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেছে। ছবি : সংগৃহীত সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারানো প্রবাসী শাহেদ আহমেদ আশিকের (৩৫) মরদেহ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হলে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনেরা। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তার স্ত্রী ও দুই সন্তান।
এদিন বিকেল ৫টায় স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে শাহেদের জানাজা শেষে বাড়ির উঠানে তার দাদার কবরের পাশে দাফন করার কথা রয়েছে।
এর আগে সকালে শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করতে ঢাকায় যান তার স্ত্রী কাকলী বেগম ও দুই সন্তান। মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ফেরার পর শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
শাহেদের ভাই মাসুম রানা জানান, গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে স্ত্রী কাকলী বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন শাহেদ। এর কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত লাগে। ওই ঘটনায় অন্যদের সঙ্গে প্রাণ হারান শাহেদ।
মাসুম রানা বলেন, শুক্রবার সকালে ঢাকায় সাহেদের মরদেহ পৌঁছানোর পর তারা সেটি নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর আড়াইটার দিকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলামও জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে থাকেন। ছেলেকে হারানোর এই কঠিন সময়ে মা-বাবা দুজনই দেশের বাইরে থাকায় পরিবারের শোক আরও গভীর হয়েছে। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে রেখে শাহেদের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সময়ের আলো/এমকে