নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, মরদেহ হস্তান্তর আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশ

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত

2026-10-27T03:27:45+00:00
2026-10-27T03:27:45+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬,
১১ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন
নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, মরদেহ হস্তান্তর আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৭ এএম 
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্ট। ছবি : সংগৃহীত
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে নিখোঁজ তালিকায় থাকা নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৭) নামে এক নারীর পরিচয় উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর ডিএনএর সঙ্গে মেলেনি। মঙ্গলবার শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ জানান, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। ওই দিন মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও সংবাদমাধ্যমকে জানানো হবে। নিহত ১০ জনের মধ্যে ঢাকার দুটি পরিবারের ছয় ও চারজন সদস্য রয়েছেন।

ছয় সদস্যের পরিবারটির নিহত ব্যক্তিরা হলেন— মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সি ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তারা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকায় থাকতেন।

নাফিস তেহামি ‘জেরিফ’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। মৌলিতা মেহজাবিন আলভি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংখ্যা ও জনস্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন। লায়লা জাহান নাবিলা ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী।


নিহত অন্য চারজন একই পরিবারের সদস্য। তারা হলেন— ঢাকার শ্যামলীতে গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।

নিখোঁজ নারীর ডিএনএ মেলেনি : অগ্নিকাণ্ডের পর ১০টি মরদেহ উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন ১১ জন। নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর নমুনার মিল পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ।

মুক্তা ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে বেড়াতে কক্সবাজারে এসেছিলেন তিনি। তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা। মুক্তার বাবার নাম মোস্তফা কামাল।

অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্ট থেকে ১০টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানানো হয়েছিল। কিন্তু নিখোঁজের তালিকায় ১১ জনের নাম থাকায় একজনের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর সঙ্গে মুক্তার ডিএনএর মিল না পাওয়ায় তার নিখোঁজ থাকার বিষয়টি এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। 

সময়ের আলো/প্রিন্ট/জেডি 
  বিষয়:   নিহত  পরিচয় শনাক্ত  মরদেহ হস্তান্তর  রিসোর্টে আগুন  কক্সবাজার 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: