ভারতের দাবি করা ভূখণ্ডের ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে চীনা সেনাদের তাঁবু স্থাপনের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

কয়েক বছর ধরে ভারত ও চীনের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছিল। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সেই অগ্রগতির স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন

2026-10-28T23:37:56+00:00
2026-10-28T23:37:56+00:00
 
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,
১২ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
সীমান্ত ঘিরে আবার উত্তপ্ত ভারত-চীন সম্পর্ক
ভারতের দাবি করা ভূখণ্ডের ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে চীনা সেনাদের তাঁবু স্থাপনের অভিযোগ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম 
ভারতের দাবি করা ভূখণ্ডের ৬-৭ কিলোমিটার ভেতরে চীনা সেনাদের তাঁবু স্থাপনের অভিযোগ
কয়েক বছর ধরে ভারত ও চীনের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছিল। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সেই অগ্রগতির স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। ২০২০ সালের সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে বরফ গলতে শুরু করেছিল, তা যে এখনো ভঙ্গুর, তার ইঙ্গিত মিলছে সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায়। 

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি বছরের শুরুর দিকে হিমালয়ের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকার কয়েকটি স্থানে বিপুলসংখ্যক চীনা সেনা ফিরে এসেছে। ভারতের দাবি করা ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার ভেতরে তাঁবুও স্থাপন করেছে তারা। ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনীর মহাপরিচালক শত্রুজিৎ সিং কাপুরের এই বক্তব্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। খবর বিবিসির।

দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য সচরাচর শোনা যায় না। সংবেদনশীল সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণত কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিরক্ষা বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বক্তব্য দেয়। সম্প্রতি রাজস্থান রাজ্যে কর্মকর্তাদের এক সমাবেশে কাপুর বলেন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশের কয়েকটি স্থানে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা এখনো চলছে।

কাপুরের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে এসব মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা শুরু হয়। প্রথম দিকে উভয় পক্ষই সেখান থেকে সেনা সরিয়ে নেয়। তবে কয়েক দিন পর আরও বেশি সংখ্যায় ফিরে আসে চীনা সেনারা। ভারতের দাবি অনুযায়ী, তারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের (এলএসি) প্রায় ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার ভেতরে তাঁবু স্থাপন করে।

এলএসি একটি অস্পষ্ট সীমারেখা, যা ভারত ও চীনের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলগুলোকে আলাদা করেছে। প্রায় ৩ হাজার ৪৪০ কিলোমিটার বা ২ হাজার ১০০ মাইল দীর্ঘ এই বিতর্কিত সীমান্ত নিয়ে কয়েক দশক ধরে দুই দেশের বিরোধ চলছে। চীন অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বলের অংশ বলে দাবি করে। তবে নয়াদিল্লি বরাবরই এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ভারত যেসব সমস্যা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল, সীমান্ত বিরোধ তার অন্যতম। এটি দেশটির দীর্ঘস্থায়ী চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। এই বিরোধের জেরে ১৯৬২ সালে দুই দেশের মধ্যে স্বল্পস্থায়ী সীমান্তযুদ্ধ হয়। ওই যুদ্ধে ভারত পরাজিত হয়। ছয় দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সীমান্তের বড় একটি অংশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত হয়নি। ফলে একই ভূখণ্ডের ওপর উভয় দেশ নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

দুর্গম ভূপ্রকৃতিও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন, হ্রদ ও বরফে ঢাকা পর্বতশৃঙ্গের কারণে সুস্পষ্ট সীমান্ত নির্ধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় প্রায়ই দুই দেশের সেনারা মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসেন। কখনো কখনো এসব ঘটনা সহিংস সংঘর্ষ ও কূটনৈতিক উত্তেজনার জন্ম দেয়।

সর্বশেষ বড় ধরনের উত্তেজনা দেখা দেয় ২০২০ সালের জুনে। সে সময় লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় ও চীনা সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন ভারতীয় এবং চারজন চীনা সেনা নিহত হন। ১৯৭৫ সালের পর এটিই ছিল দুই দেশের মধ্যে প্রথম প্রাণঘাতী সংঘর্ষ।

এরপর ভারতের বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে, সরকার চীনের কাছে ভূখণ্ড হারিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার বারবার এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কের দ্রুত অবনতি ঘটে। ব্যাহত হয় কূটনৈতিক যোগাযোগ; ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাণিজ্য ও ভ্রমণ। কয়েক দফা আলোচনার পর ২০২৪ সালে দুই দেশ সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর পদক্ষেপ নিতে সম্মত হয়।

এরপর সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালু এবং সংঘর্ষের পর আরোপিত ভিসার বিধিনিষেধ শিথিল করার উদ্যোগ নেয় দুই দেশ। সেপ্টেম্বরে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সাত বছরের মধ্যে এটিই ছিল তার প্রথম ভারত সফর। এসব পদক্ষেপে দুই দেশের সম্পর্ক আরও স্বাভাবিক হওয়ার আশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সীমান্তে নতুন করে সেনাদের মুখোমুখি অবস্থানের খবর প্রকাশিত হওয়ায় সেই অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কাপুরের বক্তব্যের পর ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, মোদি সরকার বেইজিংয়ের কাছে ছাড় দিচ্ছে। দলটির জ্যেষ্ঠ নেতা জয়রাম রমেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, এই গুরুতর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পুরো প্রশাসন নীরব রয়েছে। কাপুরের বক্তব্য অনুযায়ী, চীনা সেনারা ভারতের দাবি করা এলএসি-সংলগ্ন ভূখণ্ডের ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার ভেতরে তাঁবু স্থাপন করেছিল। ভারত সরকার এ বক্তব্য স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেনি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গত সপ্তাহে বলেন, চীনা বাহিনী প্রতিষ্ঠিত টহল দেওয়ার নিয়ম থেকে সরে এলে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি মাঝেমধ্যে বিঘ্নিত হয়। তিনি জানান, অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধানে দুই দেশ সামরিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ভারত-চীন সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক চুক্তিগুলো বেইজিং ধারাবাহিকভাবে ও কঠোরভাবে মেনে চলছে। ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় চীন স্বাভাবিক টহল ও ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও জানান তিনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাপুরের বক্তব্য থেকে বিতর্কিত সীমান্তে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতার একটি বিরল চিত্র পাওয়া যায়। ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শ্যাম শরণ বিবিসিকে বলেন, অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে চীনের এ ধরনের তৎপরতা বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে। ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে চীনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে কয়েক দফা আলোচনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।

শ্যাম শরণ বলেন, চীনের এসব পদক্ষেপ তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ শুরু হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তবে এর মাধ্যমে বাস্তব পরিস্থিতিতে নতুন কিছু প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

ভারতের বিরোধী দলগুলো দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, চীন লাদাখ ও অরুণাচল প্রদেশ—উভয় এলাকাতেই নিজেদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে, যা উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। চীনের গণমুক্তি ফৌজের অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কর্নেল ঝৌ বো বর্তমানে বেইজিংয়ের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। তার মতে, ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ থেকে ভারত ও চীন— উভয় দেশই শিক্ষা পেয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে দুই পক্ষের আরও সতর্ক হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।


ঝৌ বো জানান, অরুণাচল প্রদেশে সাম্প্রতিক মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনাগুলো চীনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি।

সীমান্তে উত্তেজনার পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কও জটিল অবস্থায় রয়েছে। মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ভারত ও চীন একে অপরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। গত বছর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৫১ বিলিয়ন ডলার। তবে এ বাণিজ্যে ভারসাম্য চীনের পক্ষে অনেক বেশি। গত বছর ভারতে চীনের রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩১ বিলিয়ন ডলার।

যন্ত্রপাতি, বিরল মৃত্তিকা চুম্বক, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি ও ওষুধের মতো পণ্যের জন্য ভারত এখনো চীনের ওপর নির্ভরশীল। ফলে বেইজিংয়ের সঙ্গে উত্তেজনার প্রভাব শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকার আশঙ্কা নেই; তা ভারতের শিল্প খাত ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পেও পড়তে পারে।

গত সপ্তাহে চীন সুড়ঙ্গ খননের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। পাতাল রেল ও মহাসড়ক নির্মাণে এসব যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। চীনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পদক্ষেপটি শুধু ভারতকে লক্ষ্য করে নেওয়া হয়নি বলে জানানো হলেও দেশটির অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনায় এর প্রভাব পড়তে পারে।

নিউইয়র্কের ইউনিভার্সিটি অ্যাট অ্যালবানির অধ্যাপক ক্রিস্টোফার ক্লারি বিবিসিকে বলেন, ভারতের প্রতি চীনের নীতি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভারতের উত্থান জটিল হয়ে পড়ে। উন্নত প্রযুক্তি ও উৎপাদন খাতে নির্দিষ্ট কিছু সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রেও ভারতকে বাধার মুখে ফেলার বিষয়টি এর অন্তর্ভুক্ত।

গত বছর বিরল মৃত্তিকা চুম্বক রপ্তানিতে চীনের বিধিনিষেধ আরোপের সময়ও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছিল। বৈদ্যুতিক গাড়ি, স্মার্টফোন, বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের টারবাইন এবং চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্ক্যানার তৈরিতে এসব চুম্বক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। চীনের ওই পদক্ষেপে ভারতের বিভিন্ন শিল্পে সাময়িকভাবে সরবরাহসংকট দেখা দেয়। এতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপকরণের ওপর বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ বিশ্বব্যাপী সরবরাহব্যবস্থাকে কীভাবে প্রভাবিত করতে পারে, তা স্পষ্ট হয়। ভারত এখন নিজস্বভাবে বিরল মৃত্তিকা চুম্বক উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তবে এ শিল্প গড়ে তুলতে সময় ও বিনিয়োগ প্রয়োজন।

বিতর্কিত সীমান্তের কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষের জন্য চীনের সঙ্গে উত্তেজনার প্রভাব আরও তাৎক্ষণিক। অরুণাচল টাইমসের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক টোঙ্গাম রিনা বলেন, সীমান্ত এলাকার কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা তাদের জানিয়েছেন, চীনের অনুপ্রবেশ ও দখলদারির কারণে তাঁরা চারণভূমিতে যেতে পারছেন না। এটি নতুন ঘটনা নয়; দীর্ঘদিন ধরেই এমনটি ঘটছে।

টোঙ্গাম রিনা আরও বলেন, এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। গ্রামবাসীরা সাধারণত ওই ‘নিষিদ্ধ’ এলাকাগুলোতে শিকার করতে কিংবা চমরি গাই চরাতে আর ফিরে যান না। আবার কবে সেখানে যাওয়ার অনুমতি পাবেন, সে বিষয়েও তারা নিশ্চিত নন।

এই সীমান্ত বিরোধ ভারতের বৃহত্তর কৌশলগত হিসাব-নিকাশেও প্রভাব ফেলছে। দেশটির মধ্যে ক্রমেই এমন ধারণা তৈরি হচ্ছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে ভবিষ্যতে বেইজিংয়ের সঙ্গে কোনো সংঘাত হলে ভারতকে সমর্থন দেওয়ার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের আগ্রহ সীমিত হতে পারে। 


সময়ের আলো/ইউএমএইচ
  বিষয়:   ভারত-চীন  সীমান্ত 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: