প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১১ পিএম
সংগৃহীত ছবিইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পরিবর্তে গাদি আইজেনকোটকে ক্ষমতায় দেখতে চান গাজার কিছু বাসিন্দা। তবে তাদের প্রত্যাশা, আইজেনকোট ক্ষমতায় এলে গাজার মানুষের প্রতি সহিংসতা কিছুটা হলেও কমবে। যদিও ইসরায়েলের নীতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাদের।
বার্তা সংস্থা এপিকে গাজার খান ইউনিসের বাসিন্দা আয়মান আহমেদ বলেন, গাজা নিয়ে ইসরায়েলের সব নীতিই কঠোর। তবে দুই শয়তানের মধ্যে কম শয়তানকে বেছে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি চান, গাদি আইজেনকোট ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হোন। কারণ, গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত চুক্তিকে তিনি সমর্থন করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ক্ষমতাচ্যুতি চান গাজার অনেক বাসিন্দা। তাদের অভিযোগ, গত তিন বছরে নেতানিয়াহুর সরকারের সামরিক অভিযানে উপত্যকাটিতে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানি ঘটেছে। তার পরিবর্তে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নিয়ে তাই তাদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
তবে আইজেনকোট ক্ষমতায় এলেই গাজার মানুষের প্রতি ইসরায়েলের নীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে, এমনটা মনে করেন না সেখানকার বাসিন্দারা। তাঁদের প্রত্যাশা, অন্তত নেতানিয়াহুর তুলনায় কম ক্ষতিকর কেউ ক্ষমতায় আসুক।
ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া চুক্তিতে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত সরকার গঠন এবং উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। এরপর গাজা পুনর্গঠনের কাজ শুরুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
নেতানিয়াহু ট্রাম্পের এই চুক্তিতে সম্মতি দিলেও তা কার্যকর করার ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গাজার আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ আবেদ বলেন, আইজেনকোটের জয় পরিস্থিতিতে নাটকীয় পরিবর্তন আনবে না। কারণ, তাদের নীতির মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। তার আশঙ্কা, আইজেনকোট ক্ষমতায় এলেও শেষ পর্যন্ত গাজার পরিস্থিতি নেতানিয়াহুর শাসনামলের মতোই থাকতে পারে।
সময়ের আলো/ইউএমএইচ