প্রকাশ: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৪ পিএম
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। ছবি : সংগৃহীতপুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো এবং লেনদেনের গতি বাড়াতে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি চেয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুবিধা চালুর পাশাপাশি করনীতিতে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
৩১ অক্টোবর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিবিএ এ তথ্য জানায়। সংগঠনটি গত বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের কাছে প্রস্তাবটি জমা দেয়।
ডিবিএর প্রস্তাব অনুযায়ী, ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর পূর্ণ কর অব্যাহতি পুনর্বহাল করতে হবে। বর্তমানে এ খাতে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত মুনাফা করমুক্ত থাকলেও এর বেশি মুনাফার ওপর সাধারণভাবে ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়। বিদেশি ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্রস্তাবে আয়কর আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধনের কথা বলা হয়েছে। তবে কর অব্যাহতির সুবিধা কেবল স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তি হওয়া যোগ্য লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য করার প্রস্তাব রয়েছে। স্পনসর, পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বর্তমান করব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে ডিবিএ।
সংগঠনটির মতে, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিসিবিএল) পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হলে মূলধনি মুনাফা নিরূপণ ও কর হিসাব সহজ হবে। তাই প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে।
ডিবিএ প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা চালু হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, বাজারের লেনদেন ও তারল্য বৃদ্ধি এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ইকুইটি অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে।