প্রকাশ: রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
গত ছয় কার্যদিবসের মধ্যে পাঁচ দিন দরপতন হলো ডিএসইতে। ছবি : সংগৃহীতদেশের শেয়ারবাজারে বিক্রির চাপ যেন কাটছেই না। এক দিন ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পর আবারও দরপতনের বৃত্তে ফিরছে বাজার। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে। এর প্রভাবে প্রধান তিনটি মূল্যসূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। এ নিয়ে গত ছয় কার্যদিবসের মধ্যে পাঁচ দিন দরপতন হলো ডিএসইতে।
রোববার লেনদেনের শুরুতে বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথম আধা ঘণ্টা অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়লেও পরে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। একের পর এক প্রতিষ্ঠান দরবৃদ্ধির তালিকা থেকে দরপতনের তালিকায় চলে আসে। দিনের শেষভাগে বিক্রির চাপ বাড়ায় পতন নিয়েই শেষ হয় লেনদেন।
দিন শেষে ডিএসইতে ১৫১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ১৯০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৬টির। ভালো মানের বা ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানির মধ্যে ৯৪টির দর বেড়েছে, কমেছে ৯০টির। ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৬৩টি কোম্পানির দর কমার বিপরীতে বেড়েছে ২৮টির। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৬৮ পয়েন্টে এবং শরিয়াহ সূচক চার পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৫ পয়েন্টে নেমেছে।
সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনও। রোববার ডিএসইতে ৪৮২ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ৫৬৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৮২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। লেনদেনে শীর্ষে ছিল মতিন স্পিনিং। কোম্পানিটির ১৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এরপর রয়েছে সায়হাম টেক্সটাইল ও ইভিন্স টেক্সটাইল। তাদের লেনদেন যথাক্রমে ১৪ কোটি ২০ লাখ ও ১৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দরপতন হয়েছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৪টির দর কমেছে, বেড়েছে ৭৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২১টির। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৮২ পয়েন্ট। তবে বাজারটিতে লেনদেন বেড়ে ২০ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে, আগের দিন যা ছিল ১৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
সময়ের আলো/প্রিন্ট/এমকে