প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীতব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ক্ষেত্রে নিজেদের ঘোষিত ২ হাজার কিলোমিটারের সীমা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যে আরও দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পথে দেশটি এগোতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ‘যেকোনো ধরনের ও মাত্রার হুমকির’ জবাব ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই দেওয়া হবে বলে সতর্ক করার কয়েক দিন পর আইআরজিসির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা এল।
তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার সীমা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেন, ‘আমাদের জন্য ওই সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।’
তবে ২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের হাতে রয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি। শুধু জানান, বক্তব্য দিয়ে নয়, বাস্তবে নিজেদের সক্ষমতা দেখাবে ইরান।
এখন পর্যন্ত ইরানের কাছে ২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থাকার তথ্য জানা যায়নি। তবে এই পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে গ্রিসের কিছু অংশ, বলকান অঞ্চল, পুরো আরব উপদ্বীপ, লেভান্ত অঞ্চল এবং মিসরের অধিকাংশ এলাকায় আঘাত হানা সম্ভব।
অন্যদিকে, মার্কিন কর্মকর্তারা এর আগে বলেছেন, ইরানের মহাকাশ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) তৈরিতে কাজে লাগানো যেতে পারে।
এদিকে হরমুজ প্রণালির পূর্ব দিকে একটি তেলবাহী ট্যাংকার নৌ-মাইনে আঘাত লেগে আগুন ধরে গেছে বলে জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। তবে ট্যাংকারটির জাতীয়তা বা গন্তব্য সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি।
ইরানের সামরিক বাহিনীর দাবি, ট্যাংকারটি তার নৌ-চলাচলের সংকেত বন্ধ করে দিয়েছিল এবং একটি ‘নিষিদ্ধ এলাকায়’ চলাচল করছিল।
সময়ের আলো/জেডি