ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, রোজায় যানজটের কারণে সাধারণ মানুষ যেন ভোগান্তিতে না পরে তাই রোজার প্রথম ১০ দিন শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। রোজা রেখে মানুষ যেন সুস্থভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে তাই এসব কার্যক্রমে রোভার স্কাউট, বিএনসিসি, সাধারণ শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় যুবকরা থাকবেন।
ডিএনসিসির নগর ভবনে রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রশাসককে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ এজাজ বলেন, এরই মধ্যে ঢাকার খালগুলো উদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করেছি। ঢাকায় খেলার জন্য পর্যপ্ত মাঠ নেই। অধিকাংশই বিভিন্নভাবে দখল হয়ে আছে। তাই সেগুলো উদ্ধার ও নতুন মাঠ তৈরির কার্যক্রম চলছে। বায়ু দূষণ ও শব্দ দূষণ কমাতে বড় করে ক্যাম্পেইন শুরু করা হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হবে। পুরো ঢাকা শহরকে সবুজায়ন করা হবে। তাই নির্দিষ্ট জায়গাগুলোতে বড় গাছ লাগানো হবে। এতে করে পরিবেশে দূষণের মাত্রা কমে আসবে।
তিনি বলেন, ঢাকার অনেক মার্কেট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ফলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তাই ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটগুলোকে ভেঙে নতুন করে তোলা হবে। রোজা শেষ হওয়ার পর পরই এটির কাজ শুরু হবে। রাজধানীতে পাবলিক টয়লেটের অনেক সংকট রয়েছে তাই ২০০ থেকে ৩০০ পাবলিক টয়লেট তৈরি করা হবে। বিশেষ করে টয়লেট না থাকার কারণে নারীদের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। ইতোমধ্যে কিছু সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এর সঙ্গে আমরাও সরাসরি যুক্ত থাকবো। ফুটপাথ উচ্ছেদের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। বর্তমানে যথেষ্ট পরিমাণে পুলিশ না থাকার কারণে এসব উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে পারছি না। কারণ আমাদের লোকবল সংকট রয়েছে। আমাদের এই পরিকল্পনাগুলো খুব দ্রুত শুরু করব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল খানসহ কার্যনির্বাহীর অন্যান্য সদস্যরা।