মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে। প্রয়োজনে তাদের দেশের বাইরে নেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এসময় উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। দুর্ঘটনায় আহত চিকিৎসাধীন ছয় বছরের আরাধ্যা বিশ্বাসের খোঁজ-খবর নেন উপদেষ্টা।
আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে উপদেষ্টা ও মেয়রকে অবহিত করেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন ও উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী।
উপদেষ্টা বলেন, চিকিৎসাধীন আহতদের খোঁজ নিয়েছি। সবকিছু ডাক্তারদের পরামর্শেই হবে। এখান থেকে যদি উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও নিতে হয় সেটাও চিকিৎসকদের পরামর্শ মতে করা হবে। আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য যদি বাইরে কোথাও নিতে হয় সরকারের পক্ষ থেকে আমরা উদ্যোগ নেব। চিকিৎসকদের পরামর্শে যা করা দরকার সবটুকু আমরা করব।
আহত শিশু আরাধ্যা বিশ্বাস দেখে তিনি বলেন, তার মা-বাবা দুজনই মারা গেছেন। এটা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। তার শারীরিক অবস্থা আস্তে আস্তে উন্নতি হচ্ছে। এখনো রিস্ক ফ্রি না। ডাক্তাররা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সব পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং ওষুধ হাসপাতালের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে। গেল বুধবারে সকাল সোয়া ৭টায় লোহাগাড়ার চুনতির জাঙ্গালিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় নিহত হয় দিলীপ বিশ্বাস ও সাধনা মন্ডল দম্পতি। তাদের মেয়ে ছয় বছর বয়সের আরাধ্যা বিশ্বাস গুরুতর আহত অবস্থায় চমেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নিহত সাধনা মন্ডলের ভাতিজা দুর্জয় মন্ডলও (১৮) একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আরাধ্যাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে চমেকের আইসিইউতে নেয়া হয়।