আওয়ামী লীগ নেতারা বাড়িতে ঘুমালেও ছাত্রলীগের সাধারণ নেতাকর্মীরা মামলা-হামলার জেরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পটুয়াখালী জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে বাদল।
গত বুধবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ফেসবুকে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে এমন বক্তব্য দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। গত ৫ আগস্টের পর থেকে মেহেদী আত্মগোপনে।
৭ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের লাইভে তিনি বলেন, ‘বড় বড় আওয়ামী লীগ নেতা, যারা শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন, তারা শহরে ঘুরছেন, বাড়িতে ঘুমাচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর নেই। যত হামলা-ভাঙচুর ও মামলার আসামি ছাত্রলীগের সাধারণ নেতাকর্মীরা। তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।’
মেহেদী হাসান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় আমি ও ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীরা কোনো টাকাপয়সা ইনকাম করতে পারিনি, উল্টো খরচ হয়েছে। ৫ আগস্টের পরে কেউ তাদের খোঁজখবর রাখছেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবদুল মান্নান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেনকে যারা পরিচালনা করেছেন, সেই সব নেতারাও পটুয়াখালী শহরের বাসা ও ঢাকার ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন। অথচ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান আরিফ ও আমার বাসায় একাধিকবার হামলা হয়েছে। জেলা যুবলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, শ্রমিক লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অনেক নেতার বাড়িতে কোনো ধরনের হামলা-ভাঙচুর করা হয়নি। অথচ ৫ আগস্টের আগে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কোনো রকম ক্ষতি করিনি, তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল।’
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, যারা চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তাদের গ্রেফতারে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে।
সময়ের আলো/জেডআই