নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা শুরু

রফিকুল ইসলাম সবুজ

প্রথম পাতা

গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলে আসছিলেন, নির্বাচন কবে হবে তা নির্ভর করবে সংস্কার কতটা করা

2025-06-11T00:36:37+00:00
2025-06-11T00:36:37+00:00
 
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা
নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা শুরু
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫, ১২:৩৬ এএম 
সংগৃহীত ছবি
গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলে আসছিলেন, নির্বাচন কবে হবে তা নির্ভর করবে সংস্কার কতটা করা হবে তার ওপর। গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংস্কার সেরে আগামী ডিসেম্বরেই নির্বাচন সম্ভব। আর বেশি সংস্কার করলে পরবর্তী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন করা যাবে। তবে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন পক্ষের চাপের মধ্যে আগের ঘোষণা থেকে কিছুটা এগিয়ে এনে আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য নতুন সময় ঘোষণা করেছেন তিনি। এই ঘোষণার মধ্যদিয়ে নির্বাচনি ট্রেন যাত্রা শুরু করল। গত ৬ জুন সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টার এই ঘোষণায় বিএনপিসহ বেশিরভাগ দলই হতাশা প্রকাশ করেছে। মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন রাজনৈতিক নেতারা।

অভিযোগ উঠেছে, এই সময় নির্ধারণে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের মতামতকেই তিনি উপেক্ষা করেছেন। অবশ্য প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াত ও এনসিপিসহ বেশ কয়েকটি দল। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কবে হবে বা সহসা হবে কি না তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা সংশয় ছিল। প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণায় সেই সংশয় কেটে গেছে এবং দেশে নির্বাচনি ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়েছে। বেশিরভাগ দল ডিসেম্বরে নির্বাচনের দাবিতে অনড় থাকায় রাজনৈতিক সংকটের আশঙ্কা রয়েছে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তিনি বারবার বলেছেন নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এই সময়ের মধ্যে দেশে নির্বাচন উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির জন্য যা যা করা দরকার, সরকার তাই করছে। ইতিহাসের সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব পক্ষের সঙ্গে সরকার আলোচনা করেছে।

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের বিষয়টি শুরুতেই আলোচনায় এনেছিলেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। গত বছর ২৪ সেপ্টেম্বর বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে, নির্বাচন যাতে আগামী আঠারো মাসের মধ্যে হতে পারে, সে জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সম্পন্ন করতে পরিস্থিতি যাই হোক না কেন তিনি মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাবেন।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, সেনাপ্রধানের এ বক্তব্যের পর থেকেই নির্বাচনের সময়সীমা সংক্রান্ত রোডম্যাপের জন্য সরকারের ওপর চাপ তৈরি হওয়া শুরু হয়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একাধিক বৈঠকে এবং বিবৃতি দিয়ে বিএনপিসহ ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন দাবি করলেও জামায়াত ও নতুন গঠন হওয়া এনসিপির অবস্থান ছিল ভিন্ন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এপ্রিলে নির্বাচন হতে পারে এমন মত দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে এনসিপি নির্বাচনের আগে সংস্কার ও বিচারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছিল।

সেনাপ্রধানের পরামর্শ কিংবা বিএনপিসহ অধিকাংশ দলের দাবিকে উপেক্ষা করে সরকার জামায়াত ও এনসিপির পরামর্শকেই নির্বাচনের জন্য গ্রহণ করেছে বলে অনেকে মনে করছেন। বিএনপির পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে সরকার বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার কথা বললেও একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সিংহভাগ রাজনৈতিক দলের মতামত অগ্রাহ্য করে নিজেদের নিরপেক্ষতাকেই যেভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, তাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে দেশের জনগণ সঙ্গতভাবেই শঙ্কিত হতে পারে বলে সভা মনে করে।

‘নির্বাচনকে বিলম্বিত করার সুযোগ তৈরির জন্যই’ এপ্রিল মাসে নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচনের যে সময় প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছেন সেটি ‘বাস্তবতার নিরিখেই’ তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। গণতন্ত্রে উত্তরণ বিলম্বিত হলে সংকট ঘনীভূত হবে। প্রধান উপদেষ্টা ও তার উপদেষ্টামণ্ডলী নিরপেক্ষ চরিত্র হারিয়েছেন। এপ্রিল কোনোভাবেই নির্বাচন আয়োজনের জন্য যথাযথ সময় নয়।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য ‘এপ্রিল মাস কোনোভাবেই উপযোগী নয়’। ডিসেম্বরেই নির্বাচন হওয়া সম্ভব এবং সেটিই জাতির জন্য সবচেয়ে উপযোগী হবে। তিনি বলেন, এপ্রিল মাস প্রচণ্ড গরম, ঝড়-বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এ ছাড়া নির্বাচনি প্রচার চালাতে হবে রোজার মাসে, যেটি ডিফিকাল্ট হবে। তা ছাড়া রোজার পরপরই পাবলিক পরীক্ষা আছে। সময়টা খুব চিন্তা করে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয় না।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার এই ঘোষণায় জাতি আশ্বস্ত হয়েছে এবং ঘোষিত সময়ের মধ্যেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জাতি আশা প্রকাশ করছে। তিনি বলেন, জাতির তীব্র আকাক্সক্ষা এখন সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন- এই তিনটি বিষয়ে বাস্তব অগ্রগতি। ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, একটি বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়েই জনগণের প্রকৃত রায় প্রতিফলিত হবে- এমন একটি ভবিষ্যৎ গঠনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, জুলাই সনদ ও জুলাই ঘোষণাপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাতীয় নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দিক থেকে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য আসবে। তারপরও প্রধান উপদেষ্টা আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনের যে সময়সীমার কথা বলেছেন, যদি এই সময়কালের মধ্যে জুলাই সনদ, জুলাই ঘোষণাপত্র ও সংস্কার বাস্তবায়নের ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা হলে ঘোষিত সময়ে নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি নেই।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার যে কুয়াশা রাজনৈতিক অঙ্গনে ছিল, নির্বাচনের সময় ঘোষণা করায় তা কেটে গেছে। তবে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা বলেছেন, ডিসেম্বরে না হয়ে এপ্রিলে কেন নির্বাচন, তা বোধগম্য নয়।

এক বিবৃতিতে জোটের সমন্বয়ক ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, অধিকাংশ দল ও জনগণের মতকে উপেক্ষা করে বিশেষ দল-গোষ্ঠীর স্বার্থে এপ্রিলে নির্বাচন ঘোষণার মধ্য দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন।

গণসংহতি আন্দোলন বলেছে, অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই চলতি বছরের ডিসেম্বরে নির্বাচন দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল। গণসংহতি আন্দোলন বলেছিল, ডিসেম্বরে নির্বাচন দিতে না পারলে তার কারণ সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট হওয়া দরকার। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সময় হিসেবে এপ্রিলের প্রথমার্ধের কথা উল্লেখ করেছেন। প্রতিকূল আবহাওয়া, পাবলিক পরীক্ষা এবং এর আগে রোজা সবমিলিয়ে নির্বাচনের জন্য এই সময়টা কতটা অনুকূল ও বাস্তবসম্মত হবে, সে ব্যাপারে আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আরও আলোচনা ইতিবাচক হবে বলে দলটি মনে করে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এপ্রিলের প্রথমার্ধেই যদি করতে পারি, তা হলে মার্চের বা ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে করতে অসুবিধা কী। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা মার্চ মাসে রোজার মধ্যে সংস্কার সংক্রান্ত সংলাপ বা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বলেছেন। এই প্রক্রিয়া সফল হবে কি না সে বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবে এই ঘোষণার পর নির্বাচনের প্রক্রিয়া ভেস্তে যাবে না বলে বিশ্বাস করেন মান্না। তিনি মনে করেন, নির্বাচন হচ্ছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া নস্যাৎ করে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটবে না।

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এপ্রিলে নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্তকে দুরভিসন্ধিমূলক উল্লেখ করে বলেন, চৈত্র মাসে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করার আগ্রহ কেন তাদের। এখানে কি ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য আছে? তারা কি এমন কিছু দেখাতে চায় যে, ভোটারশূন্য নির্বাচন?

রাজনৈতিক নেতা ও বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রধান উপদেষ্টা কয়েক দফা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিজেদের মতো করে এবং সেটি মোটেও সুবিবেচনাপ্রসূত হয়নি বলেই তারা মনে করেন। মধ্য মার্চ পর্যন্ত রোজা, এপ্রিলে উচ্চ তাপমাত্রা, বজ্রপাত, ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের রেকর্ডের পাশাপাশি এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার কারণে ‘একটি উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনে এপ্রিল মাসকে যথাযথ নয়। তাদের মতে, কোন বিষয়গুলোতে সংস্কার হবে সে বিষয়ে সব দলকে এক করা, আন্দোলনের সময় হওয়া হত্যাকাণ্ডের বিচারকে ‘গ্রহণযোগ্য’ করার পাশাপাশি পক্ষপাতহীন নির্বাচনের পরিবেশ ও একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সরকার যে তৈরি করতে পারবে- এই আস্থা তৈরি করাই এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাইফুল আলম চৌধুরী বলেন, যেসব দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করেছিলেন তাদের বেশিরভাগই দলই ডিসেম্বরে নির্বাচন চাইল, কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা সেই সংখ্যাগরিষ্ঠের মতকে উপেক্ষা করেই তার সিদ্ধান্ত নিলেন। অথচ তিনিই আবার তার ভাষণে আশা প্রকাশ করেছেন সবচেয়ে বেশি দল, প্রার্থী ও ভোটার নির্বাচনে অংশ নেবে, এটি কীভাবে হয়। সরকারের শুরু থেকেই তিনি জামায়াতের অব্যাহত সমর্থন পাচ্ছেন এবং তিনি শুনলেনও জামায়াতের পরামর্শই। স্বাভাবিকভাবে কেউ চাইলে তো দুয়ে দুয়ে চার মেলাতে পারেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান মনে করেন, সবার মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হলে এ নিয়ে বিতর্ক হতো না। নির্বাচন এপ্রিলের মতো প্রতিকূল সময়ে কেন করতে হবে সে বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। জানুয়ারির মধ্যে না হলে সেটি পরবর্তী ডিসেম্বর পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে এমন ভয়ও আছে অনেকের। আর সেটি হলে নির্বাচন আদৌ হবে কি না সেই শঙ্কাও দেখা দিতে পারে। তার মতে সবমিলিয়ে আবারও একটি অনিশ্চয়তা, আশঙ্কা ও অচলাবস্থার দিকেই দেশ যাচ্ছে কি না সেই প্রশ্নও এখন উঠবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরীন গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারের সামনে প্রকৃত চ্যালেঞ্জই হবে নিজে নিরপেক্ষ থেকে একটি পক্ষপাতহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন তারা যে করতে চায়, সেই আস্থাটা অর্জন করা। কারণ ইতিমধ্যেই দুয়েকটি দলের প্রতি তাদের পক্ষপাতমূলক আচরণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে। এর নিষ্পত্তি না হলে আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেটি নিশ্চিত করা আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। ইতিমধ্যেই বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং দুজন উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে দলটি অনড় আছে।

সময়ের আলো/এমএইচ


Loading...
Loading...
প্রথম পাতা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: