আলোচনা আর সুপারিশেই সীমাবদ্ধ ‘সংস্কার’

রফিকুল ইসলাম সবুজ

প্রথম পাতা

ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্র সংস্কারের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। গঠন করা হয়েছিল ১১টি

2025-06-30T03:03:11+00:00
2025-06-30T03:03:11+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা
আলোচনা আর সুপারিশেই সীমাবদ্ধ ‘সংস্কার’
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫, ৩:০৩ এএম 
সংগৃহীত ছবি
ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্র সংস্কারের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। গঠন করা হয়েছিল ১১টি সংস্কার কমিশন। কিন্তু সরকারের ১১ মাসেও দৃশ্যমান কোনো সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। কেবল আলোচনা আর সুপারিশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলো। উপদেষ্টা পরিষদ রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ছাড়াই জনপ্রশাসন, পুলিশ ও দুদকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে ১২১টি সংস্কার প্রস্তাবকে ‘আশু বাস্তবায়নযোগ্য’ ঘোষণা করেছিল, গত সাড়ে তিন মাসেও সেগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। এর মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে ৯টি, পুলিশ সংস্কার নিয়ে ১৩টি, জনপ্রশাসনের ১৮টি, বিচার বিভাগ নিয়ে ৩৮টি এবং দুদক নিয়ে ৪৩টি প্রস্তাব রয়েছে। ৫টি কমিশনের সুপারিশ থেকে উপদেষ্টা পরিষদ এ সুপারিশগুলো সরাসরি বাস্তবায়নের জন্য বাছাই করেছিল।

সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন নেই এমন সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ায় সরকারের সদিচ্ছা ও সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে নানামুখী আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। ১২১টি সুপারিশের বাইরে পাঁচটি কমিশনের ১৬৬টি বিভিন্ন সংস্কার সুপারিশ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ৩৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় আলোচনা করছে। এই সুপারিশগুলো মূলত সংবিধান সম্পর্কিত। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে এবং এক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা যাতে কেন্দ্রীভূত না হয়ে যায়, সে জন্য সংবিধানে বেশ কিছু সংস্কার আনার প্রস্তাব করেছে কমিশন। সংবিধান ও নির্বাচন ব্যবস্থাসহ মৌলিক ইস্যুতে করা সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের জন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্য তৈরি করে জুলাই সনদ করবে সরকার। এর বাইরে বেশ কিছু সুপারিশ আগেই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশু বাস্তবায়নযোগ্য ১২১টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের ১৮টি সুপারিশ রয়েছে। এর মধ্যে স্থায়ী জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন, তথ্য অধিকার আইন সংশোধন, পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া পাসপোর্ট দেওয়া, পুলিশের হাতে থাকা ফৌজদারি মামলার আসামিদের তালিকা অনলাইনে সহজলভ্য রাখা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ পুনর্গঠন এবং অতীতে যেসব সরকারি কর্মকর্তা ভোট জালিয়াতি, অর্থ পাচার, দুর্নীতি এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন।

আশু বাস্তবায়নযোগ্য পুলিশ সংস্কার কমিশনের ১৩টি প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- পুলিশ কমিশন ও পুলিশের জন্য পরিপূর্ণ মেডিকেল সার্ভিস গঠন; রাতে কারও বাসায় তল্লাশির সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি বা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ; এফআইআরবহির্ভূত আসামি গ্রেফতার না করা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষী সুরক্ষার জন্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতাকে হত্যা ও আহত করার জন্য দোষী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি নিশ্চিতের পদক্ষেপ নেওয়া। বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের ৩৮টি প্রস্তাব আশু বাস্তবায়নের তালিকায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি নীতিমালা প্রণয়ন, বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের জন্য আচরণ বিধিমালা জারি, স্বতন্ত্র ফৌজদারি তদন্ত সার্ভিস প্রতিষ্ঠা, বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা, আইনজীবীর বিরুদ্ধে করা মামলায় অন্য পক্ষে অন্য আইনজীবী নিয়োগে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সার্কুলার জারি করা।

এ ছাড়া দুদক সংস্কার কমিশনের ৪৩টি সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- দুদক আইন সংশোধন করে কমিশনারের সংখ্যা পাঁচজনে উন্নীতকরণ, দুদক কমিশনারের মেয়াদ পাঁচ বছর করা, রাষ্ট্রীয় ও আইনি ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে স্বার্থের দ্বন্দ্ব নিরসন ও প্রতিরোধ-সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন, আয়কর আইনের একটি ধারা সংশোধন করে দুদককে কোনো তথ্য বা দলিল দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের পদক্ষেপ গ্রহণ। দুদকের নিজস্ব বেতন কাঠামো, যেসব জেলায় দুদকের কার্যালয় রয়েছে, সেখানে বিশেষ জজ আদালত প্রতিষ্ঠা, বেসরকারি খাতের ঘুষ লেনদেনকে শাস্তির আওতায় আনা, দুদক আইনের ৩২ক ধারা বাতিল, উচ্চমাত্রার দুর্নীতি তদন্তে বিভিন্ন এজেন্সির সমন্বয়ে আলাদা টাস্কফোর্স গঠন, পর্যায়ক্রমে সব জেলায় দুদকের জেলা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট গঠনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের আশু বাস্তবায়নযোগ্য বাছাইকৃত ৯টি প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (জাতীয় নির্বাচনসংক্রান্ত আইন) সংশোধন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন সংশোধন, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন সংশোধন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও গণমাধ্যম নীতিমালা, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা সংশোধন, হলফনামার খসড়া, ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণ, পোস্টাল ব্যালটের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রাজনৈতিক ও নির্বাচনি অর্থায়নে স্বচ্ছতা ও শুদ্ধাচার চর্চা নিশ্চিত করা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ২৫ মে একটি পত্র বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠিয়ে কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছে।

তাতে বলা হয়েছে, এই সুপারিশগুলো আদৌ বাস্তবায়নযোগ্য কি না, বাস্তবায়নযোগ্য হলে বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময়সীমা, বাস্তবায়নের প্রভাব কী হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে মতামত নিতে হবে। এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তা আবার উপদেষ্টা পরিষদে উপস্থাপন করবে।

প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার ইচ্ছে করলে গুরুত্বপূর্ণ এই সংস্কারের সুপারিশ অধ্যাদেশ জারি করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে পারে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে অধ্যাদেশ জারি করা যায়। অন্যগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব ও আন্তঃমন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা যেত। কিন্তুু অধিকাংশ সুপারিশই বাস্তবায়ন করা হয়নি। তবে কয়েকটি সুপারিশ ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এমন সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গত ২১ জানুয়ারি স্বতন্ত্র কাউন্সিলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের বিধান রেখে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের পর গত ১৩ মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) বিলুপ্ত করে ‘রাজস্ব নীতি’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা’ নামে দুই ভাগ করার অধ্যাদেশ জারি হয়েছে। যদিও এ নিয়ে এখনও জটিলতা চলছে।

পাঁচ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কাজ চলছে, কিন্তু বাকি ছয়টি কমিশনের সুপারিশ এখনও কেন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সংস্কার নিয়ে সরকারের সদিচ্ছা ও সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সংস্কার হয়নি। তিনি বলেন, সরকারের পলিসিগত সমস্যা রয়েছে। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করবে একমত হওয়ার পরে নাকি সব কমিশনের সুপারিশ আলাদা আলাদাভাবে বাস্তবায়ন করবে এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত কোনো ব্যাখ্যা স্পষ্ট নয়।

নীতিগত পরিবর্তন আর সংস্কার ‘এক নয়’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, নীতির কিছু পরিবর্তন সবসময়ই হয়। কিন্তু সংস্কারের সুযোগ সবসময় আসে না। সংস্কার একটা মেজর কাজ। এটির ব্যাপারে দৃশ্যমান হতে হবে এবং সবার কাছে এটি বোধগম্য হতে হবে যে সংস্কার হচ্ছে।

সব দলকে গিয়ে বেশিরভাগ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো কঠিন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ঐকমত্য কোন প্রক্রিয়ায় হবে, সেই পদ্ধতিই ঐকমত্য কমিশন ঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেনি। এ ধরনের কোনো পদ্ধতি তারা তুলে ধরতে পারেনি যে আমরা ‘একমত বলতে এটি বোঝাচ্ছি।’

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক কাজ। কিছু প্রস্তাবের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে রাজনৈতিক মতামত ছাড়া বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাব সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। তিনি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন তাদের প্রতিবেদনে আরপিওসহ অনেক অধ্যাদেশের খসড়া করে দিয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরই এগুলো বাস্তবায়ন করা যেত। কিন্তু কেন বিলম্ব হচ্ছে জানি না। এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের দেরি হলে অন্যান্য বিষয় ঝুলে যাবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, ১৬৬টি সুপারিশকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে এগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে ঐকমত্য কমিশন। পাশাপাশি ছয়টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ থেকে বাছাই করে যেগুলো আশু বাস্তবায়ন করা সম্ভব, আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বা অফিস আদেশের মাধ্যমে সম্ভব- সবকিছু করার জন্য সরকারের কাছে একটা তালিকা দেওয়া হয়েছে।

এই সুপারিশগুলোর মধ্যে কিছু কিছু পদক্ষেপ ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিচার বিভাগ ও সংবিধান সংস্কার কমিশন জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল করার সুপারিশ করেছিল। ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। সে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখতে পাচ্ছি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ও পুলিশ সংস্কার কমিশনের কিছু সুপারিশও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের সুপারিশগুলোও দ্রুত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

আলী রীয়াজ জানান, সংবিধান সংশোধনসহ মৌলিক ইস্যুতে একমত হওয়ার জন্য সময় খুব বেশি নেই হাতে। প্রায় ২০টির মতো বিষয় রয়েছে, যেগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে কমিশন। জুলাই মাসেই জুলাই সনদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে সংস্কার বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার থাকবে। আর ঐকমত্য ও সংস্কার শুরুর ওপরই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি নির্ভর করছে।

সময়ের আলো/এমএইচ


Loading...
Loading...
প্রথম পাতা- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: