কক্সবাজারে দশদিনের বৃক্ষমেলায় প্রায় ১৫ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিক্রি হয়েছে। এসব চারার বিক্রি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শুধু বৃক্ষমেলায় নয়, সারাবছরই সবাইকে গাছ লাগাতে হবে। এতে পরিবেশ রক্ষা হবে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমবে। আর কক্সবাজার হবে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য।’
বন বিভাগ সূত্র জানায়, এবারের মেলায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতিসহ শতাধিক ধরনের গাছের চারা ছিল। পাশাপাশি সচেতনতামূলক পোস্টার, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও শিশুদের পরিবেশ শিক্ষা নিয়েও ছিল প্রদর্শনী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নগরায়ণ, বৃক্ষনিধন ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশ হুমকির মুখে। এই সংকট মোকাবেলায় ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে গাছ লাগানো ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এবারের মেলা ছিল পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচির অংশ। এর ধারাবাহিকতায় উপজেলার স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনসাধারণের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণও করা হয়েছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন, কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নীলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী ও কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি।
মেলায় অংশ নেওয়া নার্সারিগুলোর মধ্যে ‘মেরিন এগ্রো প্রজেক্ট এন্ড নার্সারি’ প্রথম স্থান অর্জন করে। দ্বিতীয় হয়েছে ‘রোজ গার্ডেন’ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে ‘সাকিব নার্সারি’। অতিথিরা বিজয়ী স্টলগুলোর মাঝে ক্রেস্ট তুলে দেন।
এমএইচ