গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তার মসজিদ মার্কেট এলাকায় প্রকাশ্যে সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে (৩৮) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার ঘটনায় মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও র্যাব।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাতে তাদের গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উপকমিশনার রবিউল হাসান।
তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- ফয়সাল ওরফে কেটু মিজান, তার স্ত্রী গোলাপী বেগম, স্বাধীন, আল আমিন ও সুমন। ফয়সালসহ তিনজনকে গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকা থেকে, আল আমিনকে রাজধানীর উত্তরার তুরাগ এলাকা থেকে এবং স্বাধীনকে হোতাপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পরে মামলার অন্য দুই আসামিকেও গ্রেফতার করা হয়। পাবনার পাচবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ও ভাড়াটিয়া মো. ফয়সাল হাসান (২৩) এবং কুমিল্লার হোমনা থানার বাসিন্দা মো. শাহ জালালকে (৩২) ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানা থেকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া সবাইকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পে অবস্থিত সিপিএসসিতে ব্রিফ করবেন র্যাব-১-এর কোম্পানি কমান্ডার এসপি কে এম এ. মামুন খান চিশতী।
গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তার মসজিদ মার্কেটের সামনে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন সাংবাদিক তুহিন। এ সময় হঠাৎ কয়েকজন সন্ত্রাসী তাকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে ক্ষতবিক্ষত করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তুহিন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে। বর্তমানে পরিবার নিয়ে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ নামের একটি পত্রিকার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন।
সময়ের আলো/এসটিও