প্রকাশ: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:১৬ এএম
সংগৃহীত ছবিজাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টির আসর এবার আগেভাগেই শেষ হয়েছে। সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে এনসিএলের দ্বিতীয় আসর। যেখানে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রংপুর বিভাগ। টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট শেষে এবার লাল বলের এনসিএলে মাঠে নামতে যাচ্ছেন ৮ দলের ক্রিকেটাররা। যে দেশের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট যত সক্রিয় সে দেশের ক্রিকেটের ভিত তত মজবুত। মূলত ঘরোয়া খেলার মধ্য দিয়ে পাইপলাইনের ক্রিকেটাররা উঠে আসে। বাংলাদেশে জাতীয় ক্রিকেট লিগও (এনসিএল) সে ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২৭তম এনসিএল (চার দিনের) টুর্নামেন্ট। এবারের আসরেও আটটি দল অংশ নিচ্ছে। তবে গত আসরের দল ঢাকা মেট্রো নেই এবার, নতুন করে যুক্ত হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ। আর দলটির প্রধান কোচের দায়িত্বে রয়েছেন নাজমুল হোসেন। এ ছাড়া অধিনায়ক আব্দুল মজিদ। বাকি দলগুলোর মধ্যে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেনÑরাজশাহী বিভাগে সাব্বির হোসাইন, সিলেট বিভাগে জাকির হাসান, বরিশাল বিভাগে তানভীর ইসলাম, খুলনা বিভাগে মোহাম্মদ মিঠুন, রংপুর বিভাগে আকবর আলী, চট্টগ্রাম বিভাগে শাহাদাত হোসাইন দিপু ও ঢাকা বিভাগে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। গতকাল সব দলের স্কোয়াডও ঘোষণা করা হয়।
এদিকে এবারের এনসিএলের শুরু থেকেই খেলার কথা রয়েছে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের। সিলেট বিভাগের হয়ে মাঠে নামবেন তিনি। মূলত সামনে জাতীয় দলের খেলা থাকায় নিজেকে প্রস্তুত করতেই এনসিএল খেলবেন তিনি। এ ছাড়া সাব্বির রহমান, নাসির হোসেনরাও খেলছেন এবারের এনসিএল। জাতীয় দলের ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলা সৌম্য সরকারও খেলবেন এনসিএল।
আজ উদ্বোধন দিনে মাঠে নামবে ৮ দলই। দেশের তিন বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে খেলা। তার মধ্যে সিলেট আন্তর্জাতিক মাঠে ময়মনসিংহের বিপক্ষে খেলবে সিলেট বিভাগ। এ ছাড়া সিলেটের একাডেমি মাঠে লড়বে ঢাকা বিভাগ এবং রংপুর বিভাগ। অন্যদিকে খুলনা বিভাগীয় মাঠে নামবে খুলনা এবং বরিশাল বিভাগ।
রাজশাহীর বিভাগীয় মাঠে লড়বে রাজশাহী এবং চট্টগ্রাম বিভাগ। সবকটি ম্যাচ শুরু হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে। বিসিবির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাবে সবকটি ম্যাচ। এবারের এনসিএলে বেশ কয়েকটি ভেন্যুতে খেলা হবে। এর মধ্যে খুলনার বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সিলেট ও কক্সবাজারের দুটি করে ভেন্যু, বগুড়ার শহিদ চান্দু স্টেডিয়াম, রাজশাহীর বিভাগীয় স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম ও মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম এবং বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠ।
এদিকে জাতীয় ক্রিকেট লিগের ফিটনেস টেস্টে পাস না করা ক্রিকেটার সোহাগ গাজী খেলার জন্য বিসিবি সভাপতির কাছে আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে। গত মাসে ফিটনেস পরীক্ষা পার করতে পারেননি তিনি। সোহাগ গাজী ফিটনেস টেস্টে সময় নিয়েছিলেন ৭ মিনিট ৫০ সেকেন্ড, যা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি। ফিটনেস টেস্টে পাস না করায় অনেক ক্রিকেটার এবার জাতীয় ক্রিকেট লিগে খেলতে পারছেন না।
সময়ের আলো/এআর