মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীর প্রতীক বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সমবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জুলাইতে পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আন্দোলন হয়েছে সমবায় আন্দোলনের মাধ্যমে সে আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।
শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম শিশু একাডেমিতে সমবায় বিভাগ চট্টগ্রাম কর্তৃক ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফারুক ই আজম বলেন, ‘সমবায় সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। সংগঠনের সদস্যদের পারস্পরিক আস্থা বিশ্বাস থাকতে হবে। আস্থা এবং বিশ্বাস ছাড়া সংগঠন শক্তিশালী হয় না।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সমবায়ের শুরু কেবল ১৯৯৪ সালে নয়। ১৯০৯ সালে যশোর জেলার পাইকগাছায় কো- অপারেটিভ সোশ্যাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয়। সমবায়ের প্রতিটি সদস্যকে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করতে হবে।’
স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনীতি শক্তিশালী করতে তরুণ এবং নারীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের জনসংখ্যার একটি বড় সংখ্যক অংশ তরুণ। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে তরুণরা জনসংখ্যার সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। জুলাইতে পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আন্দোলন হয়েছে সমবায় আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের সে আকাঙ্ক্ষার প্রতিপালন ঘটাতে হবে। সেই সাথে নারীদের ও সমবায়ের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে।’
এ উপদেষ্টা আরও বলেন ‘নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল ও স্বাবলম্বী হলে ভবিষ্যত প্রজন্ম সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠবে। সেই সাঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কৃষক,কারিগর ও নারীদের সম্পৃক্ত করলে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।’
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সাম্য ও সমতায়, দেশ গড়বে সমবায়।’
সময়ের আলো/কেএইচও