সৌদি আরব ইয়েমেনের বৃহৎ প্রদেশ হারদামাউতে বিমান হামলা চালিয়েছে। এ অঞ্চলে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) একটি সেনা ক্যাম্প লক্ষ্য করে হামলা চালায় তারা।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এ হামলা চালায় সৌদি।
সংযুক্ত আরব আমিরাত এসটিসিকে সমর্থন দেওয়ার পর আমিরাতের সঙ্গে সৌদির সম্পর্কে টানপোড়েন শুরু হয়। তবে আমিরাত এখন সৌদির হুমকির মুখে ইয়েমেন থেকে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার করে নিতে রাজি হয়েছে।
বিমান হামলার ব্যাপারে কথা বলেছেন এসটিসির এক কর্মকর্তা। তিনি বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, সৌদি ইয়েমেনে বিমান হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় একাধিক মানুষ আহত ও নিহত হয়েছে।
হামলার কয়েক ঘণ্টা পর সৌদি আরব এক বিবৃতিতে বলেছে, নিজেদের নিরাপত্তা তাদের জন্য ‘রেড লাইন’ এবং এটি যে কোনোভাবে রক্ষা করবে। পাশাপাশি, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে যে, গালফ অঞ্চলের আরব দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্যপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করতে আমিরাত যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।
সৌদি জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, শনিবার ও রোববার মুকাল্লা বন্দরে দুটি জাহাজ প্রবেশ করে যা জোটের অনুমতি ছাড়া এসেছে এবং তাদের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ ছিল। এই জাহাজ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র খালাস করা হয়, যা এসটিসির জন্য আনা হয়েছিল।
এসটিসির ওয়াদি হারদামাউত এবং হারদামাউত মরুভূমি অঞ্চলের প্রধান মোহাম্মদ আব্দুলমালিক বলেছেন, তাদের আল-খাসাহ ক্যাম্পে সৌদি আরব সাতবার বিমান হামলা চালিয়েছে। এছাড়া সেখানে স্থল হামলারও চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু তারা এটি ঠেকিয়ে দিয়েছেন। এ দুই হামলায় কতজন আহত বা নিহত হয়েছেন সেটি তিনি স্পষ্ট করেননি।
এরআগে গত ৩০ ডিসেম্বর হারদামাউতের মুকুল্লা বন্দরে বিমান হামলা চালায় সৌদি।
ইয়েমেনের সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত এসব অস্ত্র এসটিসির জন্য পাঠিয়েছে। এগুলোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে।
/ইউএমএইচ