বিশ্ব রাজনীতি হঠাৎ করেই এক অভূতপূর্ব মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া শুধু লাতিন আমেরিকার রাজনীতিই নয়, আন্তর্জাতিক আইন, কূটনীতি ও বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য নিয়েও নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
নিউইয়র্কের কুখ্যাত ফেডারেল আটককেন্দ্রে মাদুরোর উপস্থিতি যেমন নাটকীয়, তেমনি এর প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘ থেকে মস্কো-বেইজিং পর্যন্ত যে উদ্বেগ ও তৎপরতা শুরু হয়েছে। আর এসব ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে আরও গভীর এক ভূরাজনৈতিক সংঘাতের।
মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (এমডিসি) নেওয়া হয়েছে। মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও মাদুরো সঙ্গে আটক করা হয়েছিল। তবে ফ্লোরেস কোথায় আছেন সে সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু এখনও জানা যায়নি।
বিবিসি জানিয়েছে, মাদুরোকে ব্রুকলিনের যে আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে সেটি নিউইয়র্কের একমাত্র ফেডারেল জেল। সেখানে বহু কুখ্যাত অপরাধীকে রাখা হয়।
এর মধ্যে রয়েছে অতীতের কুখ্যাত যৌন অপরাধী প্রয়াত জেফরি এপস্টিন ও তার প্রেমিকা ম্যাক্সওয়েলসহ সাম্প্রতিককালে যৌন ব্যবসায় নারীদের প্রলুব্ধ করায় অভিযুক্ত র্যাপার ও সংগীত উদ্যোক্তা শন ‘ডিডি’ কম্বসও। অত্যন্ত কঠোর পরিবেশের জন্যও জেলটি পরিচিত। তা ছাড়া এই জেলে সহিংস ঘটনা ঘটে এবং পর্যাপ্ত তদারকিও নেই বলে অভিযোগ আছে। জেলটিতে একবার এক আসামির বারবার ছুরিকাহত হওয়া এবং কোনো চিকিৎসা সুবিধা না পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। উল্টো ওই আসামিকে ২৫ দিন সেলে বন্ধ রাখা হয় বলে অভিযোগ আছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দি করে নিয়ে গেছে, সেটি নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। রাশিয়া ও চীনের সমর্থনে সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে কলম্বিয়া। মার্কিন অভিযানের ঘটনাটি ওই অঞ্চলের ওপর ‘উদ্বেগজনক প্রভাব’ ফেলবে বলে আশঙ্কা করছেন গুতেরেস।
জাতিসংঘ মহাসচিবের একজন মুখপাত্রের পক্ষ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলায় যে ঘটনা ঘটেছে, সেটি একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ সৃষ্টি করতে পারে। জাতিসংঘ সনদসহ আন্তর্জাতিক সব আইনের প্রতি সবাইকে পূর্ণ সম্মান প্রদর্শনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন মহাসচিব। জাতিসংঘের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এই কারণে যে, (ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের ক্ষেত্রে) আন্তর্জাতিক আইনগুলোকে সম্মান করা হয়নি। মানবাধিকার ও আইনের শাসনে শ্রদ্ধা রেখে ‘সব পক্ষকে নিয়ে সংলাপে বসার’ জন্য ভেনেজুয়েলার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
এর আগে ভেনেজুয়েলায় গ্রেফতারের পর প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে কারাকাস থেকে একটি মার্কিন হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আইও জিমায় তোলা হয়। সেখানে তোলা একটি ছবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করেন। এরপর কিউবা হয়ে মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নেওয়া হয়।
নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর তাকে যুক্তরাষ্ট্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ডিইএর দফতরে নেওয়া হয়। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর ডিইএ কর্মকর্তাদের পাহারায় দফতরের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। পরে তাকে ম্যানহাটনের ডিইএ অফিস থেকে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত অভিযোগে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
মার্কিন সময় সোমবারই তাকে আদালতে তোলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাদুরোকে মাদক সম্রাট হিসেবে আখ্যা দেওয়া হলেও তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। সামরিক অভিযান চালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ‘জোরপূর্বক আটকের’ পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ বিবিসির মার্কিন সহযোগী সিবিএস নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন।
তিনি বলেছেন, আমি আমেরিকার জন্য সেরাটাই চিন্তা করব। আমরা দেখেছি এমন নারী-পুরুষ রয়েছেন যারা আমাদের দেশের স্বার্থে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। ভেনেজুয়েলা নিয়ে পরবর্তী কি সিদ্ধান্ত হবে এবং সেটি কংগ্রেসে অনুমোদন পাবে কী-না, সেই প্রশ্নের জবাবে পিট হেগসেথ বলেছেন, এটা ছিল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একটি অভিযান। আমরা এর সঙ্গে কংগ্রেসকেও সম্পৃক্ত রাখব।
তিনি আরও বলেন, এরপর কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন ভেনেজুয়েলার জনগণই। তবে শেষ পর্যন্ত আমেরিকা এতে উপকৃত হবে, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির দিক থেকে। আমরা বিশ্বাস করি, ভেনেজুয়েলার মানুষও এতে লাভবান হতে পারে। হেগসেথ ট্রাম্পের প্রশংসা করে বলেন, আমরা বিশ্বাস করি ট্রাম্প সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। এই বিপজ্জনক বিশ্বে শক্তি ছাড়া শান্তি আসে না যোগ করেন হেগসেথ। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব আরও জানান, এই অভিযানের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘তেল-সমৃদ্ধি’ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হিসেবেও কাজ করেছে।
এদিকে মাদুরোর মিত্ররাই এখনও ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্র ক্ষমতায়। ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ মাদুরোর অনুগত ও ঘনিষ্ঠজন হিসেবেই পরিচিত ছিলেন এবং আছেন। মাদুরো আটকের পর রদ্রিগেজকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যে আদালতটিও মাদুরোর রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি অনুগত এবং সেখানের দায়িত্বেও রয়েছেন তার অনুগতরাই।
এটি খুব জোর দিয়ে বলাই যায় যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘যুক্তরাষ্ট্রই ভেনেজুয়েলা চালাবে’ বলে যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, বাস্তবতা তেমন নয়। কারণ দেশটির ক্ষমতায় এখনও যুক্তরাষ্ট্র নয়, মাদুরোর মিত্ররাই বহাল রয়েছে।
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ যেখানে বলেছেন, ভেনেজুয়েলা নিজেকে রক্ষা করবে, সেখানে ট্রাম্পের বক্তব্যের ইঙ্গিত তিনি আশা করছেন রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করবে। অর্থাৎ ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর বিষয়টি। কিন্তু এই কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী বোঝাতে চাইছে? এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা ভেনেজুয়েলার মাটিতে নেই। যদিও ট্রাম্প সে সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচও করেননি।
তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে ভিন্ন ধরনের এক নিয়ন্ত্রণক্ষমতা। মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র আটক করার যে চিত্র সামনে আনা হয়েছে, সেটি এখনও ক্ষমতায় থাকা অনুগতদের সামনে কার্যত এক ধরনের হুমকিস্বরূপ বার্তা। মাদুরোর প্রতি যারা অনুগত তারা অবশ্য এটিও ভালো করে জানেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া অনুযায়ী কাজ না করলে তারাও হতে পারেন পরবর্তী লক্ষ্য। কাগজে-কলমে তারা এখনও ক্ষমতায় থাকলেও, বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘না’ বলার মতো অবস্থানে কতটা আছেন মাদুরোর মিত্ররা সেই প্রশ্নও থেকেই যাচ্ছে।
মাদুরোকে স্ত্রীসহ আটক করার আগে দেশটির রাজধানী কারাকাস ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় মার্কিন সেনারা। হামলার ঘটনার পর বিস্ফোরণ, আগুন ও ধোঁয়ার ছবি ও ভিডিও দেখে অন্তত পাঁচটি স্থাপনা শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে বিবিসি ফেরিফাই।
সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, জেনারেলিসিমো ফ্রান্সিসকো ডি মিরান্ডা বিমান ঘাঁটি, যা লা কার্লোতা নামে পরিচিত। ফুয়ের্তে তিউনা নামে কারাকাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা। ক্যারিবীয় সাগরের সঙ্গে কারাকাসের প্রধান সংযোগ বন্দর পোর্ত লা গুয়েরা, যা মিরান্ডা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। কারাকাসের ঠিক পূর্বে অবস্থিত হিগুয়েরোতে বিমানবন্দর। মিরান্ডা রাজ্যের সেরো এল ভলকানের একটি সুউচ্চ টেলিকম টাওয়ার, যা অ্যান্টেনাস এল ভলকান নামে পরিচিত।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বন্দি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে দেশটির রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করছেন তার সরকারের সমর্থকরা। কারাকাসের মেয়র কারমেন মেলান্দেজ, যিনি মাদুরো সরকারের অনুগত বলে পরিচিত, তিনিও বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। তাদের প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপহরণ’ করে নিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অভিযানে ধরে এনে মার্কিন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে তেল উৎপাদন পুনরুজ্জীবিত করার যে পরিকল্পনার কথা ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, তা বিশ্ববাজারে তেলের দামে তাৎক্ষণিক বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এর মূল কারণ একটাই ভেনেজুয়েলার তেল শিল্প বহু বছর ধরে কার্যত ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগের অভাব এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ফলে অবকাঠামো এতটাই দুর্বল যে উৎপাদন বাড়াতে সময় ও বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে। তা সত্ত্বেও কিছু বিশ্লেষক আশাবাদী। তাদের মতে, বর্তমানে দিনে প্রায় ১১ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করা ভেনেজুয়েলা চাইলে তুলনামূলক দ্রুতই উৎপাদন দ্বিগুণ বা তিনগুণ করতে পারে এবং এক সময়ের উচ্চ পর্যায়ের উৎপাদনে ফিরতে পারে।
গ্যাসোলিন দামের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান গ্যাসবাডির প্রধান পেট্রোলিয়াম বিশ্লেষক প্যাট্রিক ডি হান বলেন, অনেকেই বলছেন মার্কিন সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার তেল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই অবকাঠামো বহু বছর ধরেই অবক্ষয়ের মধ্যে রয়েছে। একে নতুন করে দাঁড় করাতে সময় লাগবেই।
আরেকটি বড় প্রশ্ন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো বড় অঙ্কের বিনিয়োগে যেতে চাইবে কেবল তখনই, যখন তারা নিশ্চিত হবে দেশটিতে একটি স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য সরকার আছে। কিন্তু শনিবার পর্যন্ত পরিস্থিতি ছিল ঘোলাটে।
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে দেশটির বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, মাদুরোকেই আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা উচিত যদিও এর মধ্যেই দেশটির সর্বোচ্চ আদালত তাকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিতে নির্দেশ দেন।
প্রাইস ফিউচারস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক ফিল ফ্লিন বলেন, যদি দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ২৪ ঘণ্টার জন্যও দেশ পরিচালনায় সফল হচ্ছে, তা হলে বাজারে আশাবাদ তৈরি হবে। সে ক্ষেত্রে মার্কিন জ্বালানি কোম্পানিগুলো দ্রুত ভেনেজুয়েলায় ঢুকে তেল শিল্প পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিতে পারে।
ফ্লিনের মতে, যদি ভেনেজুয়েলা আবার বড় তেল উৎপাদক দেশে পরিণত হয়, তা হলে দীর্ঘমেয়াদে তেলের দাম নিচের দিকে ধরে রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এটি রাশিয়ার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। তবে আপাতত তেলের বাজারে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। সপ্তাহান্তে তেলের লেনদেন বন্ধ থাকে, তাই দাম সঙ্গে সঙ্গে বদলায়নি। বাজার খুললেও বড় ধরনের দামের ওঠানামার সম্ভাবনা কম। ভেনেজুয়েলা ওপেকের সদস্য, ফলে তাদের উৎপাদন হিসাবের মধ্যেই আছে।
সময়ের আলো/এআর