বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচে লজ্জার রেকর্ড গড়েছে নোয়াখালী। ঘরোয়া এই লীগের ইতিহাসের চতুর্থ সর্বনিম্ন ৬১ রানে অলআউট হয়েছে দলটি। জবাবে ৬৮ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে সিলেট।
‘দুলাভাই আচ্ছইন, এখন মাঠ কাঁপব...’—মঈন আলীকে কাল ফেসবুক পোস্টে এভাবেই স্বাগত জানিয়েছিল সিলেট টাইটানস।
ইংল্যান্ডের এই ক্রিকেটারের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্ত্রীর বাড়ি সিলেটে। সে সূত্রে ‘দুলাভাই’ বনে যাওয়া মঈন আজ বিপিএলে সিলেট টাইটানসের হয়ে প্রথম খেলতে নেমেছিলেন।
‘দুলাভাই’—এর প্রথম ম্যাচে রেকর্ড গড়ে দলকে জয়ের পথে ফিরিয়েছেন সিলেটেরই ছেলে নাসুম আহমেদ।
৩ ওভার শেষে কোনো উইকেট না হারিয়েই ২৪ রান তুলে ফেলেছিল নোয়াখালী। নাসুমই মোড়টা ঘুরিয়ে দিতে শুরু করেন চতুর্থ ওভারে এসে। নিজের প্রথম বলেই সৌম্য সরকারকে আউট করেন তিনি, ওই ওভারেই আউট হয়ে যান মুনিম শাহরিয়ারও।
পরের ওভারে খালেদ আহমেদ এসে নাসুমেরই হাতে ক্যাচ বানান আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা হাবিবুর রহমানকে, যিনি ১৬ বলে করেন ১৮ রান। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভার করতে এসে নাসুম উইকেট না পেলেও দেন মাত্র ১ রান।
নাসুম যখন ১১তম ওভারে আবার বোলিংয়ে আসেন, ততক্ষণে নোয়াখালীর রান ৪ উইকেটে ৪৫। এবারও নাসুম ১ রানই দেন, কিন্তু এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন হায়দার আলীকে। কম রান খরচ করছিলেন, উইকেটও পাচ্ছিলেন—তবু নাসুমের বোলিংটা পূর্ণতা পায় শেষ ওভারে গিয়ে।
প্রথম ২ বলে ১ রান দেওয়ার পর টানা ২ বলে মেহেদী হাসান ও জাহির খানকে আউট করেন। তার ওভারের শেষ বলে আউট হন বিলাল সামি। নাসুমের বোলিং ফিগার হয়—৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট।
নাসুমের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর সিলেট টাইটানসের জয়টা ছিল সময়ের ব্যাপার। ৮.৪ ওভারেই ম্যাচটা জিতলেও ৪ উইকেট হারিয়েছে সিলেট। ১৮ বলে সর্বোচ্চ ৩২ রান আসে তৌফিক খান তুষারের ব্যাট থেকে। বল হাতে ২ ওভারে ৬ রানে উইকেটশূন্য থাকা মঈন ১ বলে ১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।
৬ ম্যাচে এ নিয়ে তৃতীয় জয় পেল সিলেট, এদিকে ৪ ম্যাচের কোনোটিতেই জয় পায়নি নোয়াখালী।
সময়ের আলো/এআর