প্রকাশ: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৯ এএম
গ্রাফিক : সময়ের আলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে ত্রয়োদশ নির্বাচন; মাঝখানে কেটেছে সাত বছর। এই সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে থেকেও বিএনপির একাধিক শীর্ষ ও প্রভাবশালী নেতার আয় ও সম্পদ বেড়েছে কয়েকগুণ। কারও বার্ষিক আয় দ্বিগুণ হয়েছে, কারও বেড়েছে কোটির অঙ্কে। তবে কিছুটা ব্যতিক্রমও আছে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আয় বেড়েছে মাত্র ৫৭ হাজার ৭০০ টাকা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে আয়-সম্পদের এই চিত্র উঠে এসেছে।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় একাদশ সংসদ নির্বাচন। আর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন। তবে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত একতরফা দ্বাদশ নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যারা প্রার্থী হচ্ছেন, বিধি অনুযায়ী তারা নিজেদের আয়-ব্যয় ও সম্পদের তথ্য হলফনামা আকারে জমা দিয়েছেন মনোনয়নপত্রের সঙ্গে। যা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
মির্জা আব্বাসের বড় লাফ : ২০১৮ সালে বাৎসরিক আয় দেখিয়েছিলেন ৪ কোটি ৭৫ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৯ টাকা। আর এবার দেখিয়েছেন ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছিল ৩৭ কোটি ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪৫৬ টাকা। এবার দেখিয়েছেন ৬৮ কোটি ৬৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছিল ১ কোটি ৯০ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। আর এবার দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
গত সাত বছরে মির্জা আব্বাসের শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত খাতে আয় বেড়েছে। সে সময় এই খাতে তার আয় ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৫ টাকা। সবশেষ হলফনামায় এই খাতে আয় দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৯৩ লাখ ১০ হাজার ৩৪১ টাকা। তবে নগদ টাকার পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ২০১৮ সালে তিনি নগদ দেখিয়েছিলেন ৩ কোটি ৬২ লাখ ৩১ হাজার ৩৪০ টাকা আর এবার দেখিয়েছেন ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ওই সময় সঞ্চয়পত্র বা স্থায়ী আমানত খাতে কোনো অর্থ দেখাননি। এবার এই খাতে দেখিয়েছেন ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৪৪ হাজার ৩১১ টাকা। এ ছাড়া দায় কমেছে অর্ধেকেরও বেশি। ২০১৮ সালে মির্জা আব্বাস দায় দেখিয়েছিলেন ৫৮ কোটি ৮৬ লাখ ৪১ হাজার ১৬১ টাকা। আর এবার দেখিয়েছেন ২৫ কোটি টাকা।
খসরুর আয় বেড়েছে ১১৬ শতাংশেরও বেশি : বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক প্রভাবশালী সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে বার্ষিক আয়। একই সময়ে তার স্ত্রী তাহেরা আলমের আয়েও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আমীর খসরুর দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী ২০২৫ সালে খসরুর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২৪ টাকা। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় তার বার্ষিক আয় ছিল ৭৩ লাখ ৬৫ হাজার ২১৯ টাকা। খসরুর স্ত্রী তাহেরা আলমও পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ২০১৮ সালে তার আয় দেখানো হয়েছিল ৯ লাখ ৬ হাজার ৪২৭ টাকা। সবশেষ হলফনামায় তার বার্ষিক আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ লাখ ৮২ হাজার ৮২৭ টাকা।
খন্দকার মোশাররফের আয় বেড়েছে সাড়ে ৫ কোটিরও বেশি : কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও বার্ষিক আয় মিলে মোট সম্পদ ২০ কোটি ১৫ লাখ ৫ হাজার ১৭১ টাকা। তবে ২০১৮ সালের হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও বার্ষিক আয় মিলে খন্দকার মোশাররফের মোট সম্পদ ছিল ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫৩ টাকা। গত সাত বছরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্যের আয় বেড়েছে ৫ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার ৫১৮ টাকা।
মির্জা ফখরুলের আয় বেড়েছে মাত্র ৫৭ হাজার ৭০০ টাকা : ঠাকুরগাঁও আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিভিন্ন খাত থেকে তার বার্ষিক আয় প্রায় ১২ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা। আয়ের বিবরণীতে দেখা যায়, কৃষি খাত থেকে মির্জা ফখরুলের বছরে আয় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে আয় ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা (হুরমত আলী মার্কেটের শেয়ার থেকে)। পরামর্শক হিসেবে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানী ভাতা পান প্রায় ৮ লাখ টাকা। অন্যান্য উৎস থেকে ৭ হাজার ৯০১ টাকা। সব মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে মাসে আয় দাঁড়ায় ৯৮ হাজার ৫৯৪ টাকা। বিএনপির মহাসচিবের স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ১ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮৩ টাকার সম্পদ রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংকে জমা, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, শেয়ারে বিনিয়োগসহ মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬৯ টাকা। আর কৃষি ও অকৃষিজমি, বাড়ি মিলিয়ে স্থাবর সম্পত্তির (অর্জনকালীন) মূল্য ১৯ লাখ ৫ হাজার ৮১৪ টাকা।
এর আগে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া হলফনামায় মির্জা ফখরুল কৃষি খাত, ব্যবসা, শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র ও সম্মানী ভাতা হিসেবে বছরে আয় দেখিয়েছিলেন ১১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩৩ টাকা। এবারের হলফনামার সঙ্গে তুলনা করলে গত সাত বছরে মির্জা ফখরুলের আয় বেড়েছে মাত্র ৫৭ হাজার ৭০০ টাকা। তবে হলফনামায় ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের সম্পদেরও বিবরণ দেওয়া হয়েছে। তাতে দেখা যায়, রাহাত আরা বেগমের মোট প্রায় ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার সম্পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা মির্জা ফখরুলের সম্পদের তুলনায় ১ কোটি টাকার বেশি।
গয়েশ্বর রায়ের বার্ষিক আয় বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বার্ষিক আয় প্রায় ১৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাত থেকে আসে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং বাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে আসে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার। এ ছাড়া অন্যান্য উৎস থেকে আসে ৪ হাজার ৮৬০ টাকা। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার ব্যাংকে জমা আছে ৪৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫৯ টাকা। এ ছাড়া তার কাছে এক লাখ টাকার কোম্পানি শেয়ার রয়েছে। তবে ২০১৮ সালের হলফনামায় গয়েশ্বর রায়ের বার্ষিক আয় দেওয়া ছিল প্রায় ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৫২৭ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাত থেকে আসে ১ লাখ ১ হাজার ৫৮০ টাকা এবং বাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে আসে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৯৪৭ টাকা। আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার ব্যাংকে জমা আছে ১৬ লাখ ১৫ হাজার ১৩২ টাকা। এ ছাড়া তার কাছে এক লাখ টাকার কোম্পানি শেয়ার রয়েছে। এবারের হলফনামার সঙ্গে তুলনা করলে গত সাত বছরে গয়েশ্বর রায়ের বার্ষিক আয় বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। যা প্রায় ৮ লাখ ৬৩ হাজার ৪৭৩ টাকা।
মঈন খানের বার্ষিক আয় বেড়েছে প্রায় ২০ লাখ : নরসিংদী-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের এবারের তথ্যে তার বার্ষিক আয় ৭১ লাখ ৪৪ হাজার ২০০ টাকা। এ ছাড়া তার নামে ৪ লাখ ৯ হাজার ৭৬০ টাকার শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত রয়েছে। সাবেক এই মন্ত্রীর আয়ের প্রধান উৎস বাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ভাড়া। হলফনামায় পেশা হিসেবে গবেষণা কাজের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। তবে ২০১৮ সালের হলফনামায় মঈন খানের বার্ষিক আয় ছিল ৫১ লাখ ৫১ হাজার ৩৪৩ টাকা। এবারের হলফনামার সঙ্গে তুলনা করলে গত সাত বছরে মঈন খানের বার্ষিক আয় বেড়েছে প্রায় ১৯ লাখ ৯২ হাজার ৮৫৭ টাকা।
মজিবর রহমান সরোয়ারের অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ১৬৯ শতাংশ : গত সাত বছরে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল-৫ আসনের দলীয় প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের ঘোষিত আয় ও স্থাবর সম্পদ কমলেও অস্থাবর সম্পদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৮ সালে সরোয়ার তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করেছিলেন ২ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ টাকা। ২০২৬ সালে এসে সেই অস্থাবর সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৪৬ হাজার ৪৫৪ টাকায়। অর্থাৎ সাত বছরের ব্যবধানে তার অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৫ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার ৯৫৪ টাকা, যা শতাংশের হিসাবে প্রায় ১৬৮ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি।
শামা ওবায়েদের অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে : ফরিদপুর-২ (সালথা ও নগরকান্দা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলামের আয় গত সাত বছরে কমেছে। তবে সাত বছরের ব্যবধানে তার ঘোষিত বার্ষিক আয় কমলেও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের হলফনামায় শামা ওবায়েদের মোট বার্ষিক আয় ছিল ৩০ লাখ ৬ হাজার ৮২৫ টাকা। তবে ত্রয়োদশ নির্বাচনের জন্য হলফনামায় তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ২১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১ টাকা। ফলে সাত বছরের ব্যবধানে তার আয় কমেছে ৮ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৪ টাকা। বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৮ সালে শামা ওবায়েদের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল দেড় কোটির কিছু বেশি। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটিরও বেশি। সাত বছরে অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে দুই কোটিরও বেশি টাকা।
এ্যানির সম্পত্তি বেড়েছে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা : এবারের নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের দুবারের সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ৩ কোটি ৯০ লাখ ৩১ হাজার ৬৭ টাকার সম্পদের হিসেব দিয়েছেন। দলটির এই যুগ্ম মহাসচিব হলফনামায় তার পেশা ব্যবসা এবং বছরে আয় ৪৭ লাখ ৩৬ হাজার ৫৪ টাকা বলে জানিয়েছেন। তবে ২০১৮ সালের হলফনামায় তিনি ২ কোটি ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭১ টাকার সম্পদের হিসেব দিয়েছিলেন। এবারের হলফনামার সঙ্গে তুলনা করলে গত সাত বছরে এ্যানির সম্পত্তি বেড়েছে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ৭২ হাজার ৬৯৬ টাকা। এ ছাড়া ২০১৮ সালে বছরে আয় দেখিয়েছিলেন ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৪২৮ টাকা। এবারের হলফনামার সঙ্গে তুলনা করলে এ্যানির বছরে আয় দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
আয় বেড়েছে সাবেক আলোচিত সাংসদ হারুনুর রশীদের : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশীদ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হলেও তার হলফনামায় উঠে এসেছে প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ টাকার বিশাল ঋণের তথ্য। এ ছাড়া এর আগে পাঁচবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে চারবার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তার মোট আয় দেখিয়েছেন ১৭ লাখ ৩৭ হাজার ৯২২ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে ৭ লাখ ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা, বাড়ি ভাড়া থেকে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪০০ টাকা, কৃষি থেকে ২ লাখ ৭২ হাজার ১২২ টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে ৩ লাখ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
তবে ২০১৮ সালের হলফনামায় তিনি বছরে মোট আয় দেখিয়েছেন ১২ লাখ ২৮ হাজার ৩৭৮ টাকা। এবারের হলফনামার সঙ্গে তুলনা করলে বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিবের আয় বেড়েছে প্রায় ৫ লাখ ৯ হাজার ৫৪৪ টাকা। একই সঙ্গে ব্যাংক ঋণ ছিল ১ কোটি ৬ লাখ ২৩ হাজার ৯২৫ টাকা।
উল্লেখ, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি। তবে তার স্ত্রী রুমানা মাহমুদ ভোট করেছিলেন। এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন নির্বাচন করেননি। ভারতে থাকায় ভোট করতে পারেননি সালাহউদ্দিন আহমদও। এ জন্য তাদের হলফনামা পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া হেভিওয়েট নেতা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কখনো নির্বাচন না করায় তারও সম্পদ বিবরণী পাওয়া যায়নি।
সময়ের আলো/এনএ